shono
Advertisement
Suvendu Adhikari on Durga Puja

পরিবর্তনের বাংলায় কারা পাবেন দুর্গাপুজোর অনুদান? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ঠিক কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 12:55 PM Jun 12, 2026Updated: 02:41 PM Jun 12, 2026

মুখ্যমন্ত্রী পদে দায়িত্ব নিয়েই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। স্বাভাবিকভাবেই ক্লাব কর্তাদের মনে প্রশ্ন ছিল, তবে কি এবার দুর্গাপুজোর অনুদানও (Durga Puja Donation) বন্ধ করে দেওয়া হবে? শুক্রবার নিউটাউনের অনুষ্ঠান থেকে পুজো অনুদান নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানালেন, "যারা ওই টাকার উপর ভিত্তি করে পুজোর আয়োজন করেন, তাঁরা অনুদান পাবেন। যাদের প্রয়োজন নেই, তাঁরা পাবেন না।" অর্থাৎ বড় ক্লাবগুলো এবার থেকে আর পাবে না পুজো অনুদান। 

Advertisement

শুভেন্দু বলেন, "যাদের দরকার নেই, তাঁদের দেওয়ার প্রযোজন নেই। যাঁরা ওই অর্থের জন্যই পুজো করতে পারেন, তাঁরা পাবেন।" অর্থাৎ এবার ক্লাবের ফান্ডের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে অনুদান।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিক অনুদানের ব্যবস্থা করেছিলেন। ২০১৮ সালে তিনিই দুর্গাপুজোর আয়োজনে যাতে ক্লাবগুলোকে সমস্যা ভোগ করতে না হয় সেই কারণে অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমবছর রাজ্যের প্রতিটি ক্লাব পেয়েছিল ১০ হাজার টাকা। সরকারি অর্থ এভাবে ব্যয় নিয়ে প্রশ্নও উঠেছিল অনেক। বিরোধীরা সোচ্চার হয়েছিলেন। তবে সেসবকে গুরুত্ব দেননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বন্ধ তো দূর, উলটে প্রতিবছর বেড়েছে অনুদানের অর্থ। গতবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে রাজ্যের তরফে রাজ্যের প্রায় ৪৪ হাজার ক্লাব পেয়েছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে। অর্থাৎ এই খাতে একটা বিরাট বড় অঙ্ক খরচ হয়েছিল রাজ্যের। বড় ক্লাবগুলো, যাদের পুজোর বাজেট কয়েক কোটি টাকা, তাঁদের কেন অর্থ সাহায্য করা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছিল।

পালাবদল হতেই ধর্মের ভিত্তিতে যে ভাতাগুলো দিত পূর্বতন সরকার, তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে চলতি বছরে দুর্গাপুজোর অনুদান মিলবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিলই। শুক্রবার নিউটাউনে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত সভা থেকে এনিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "যাদের দরকার নেই, তাঁদের দেওয়ার প্রযোজন নেই। যাঁরা ওই অর্থের জন্যই পুজো করতে পারেন, তাঁরা পাবেন।" অর্থাৎ এবার ক্লাবের ফান্ডের উপর ভিত্তি করে দেওয়া হবে অনুদান। তবে এবার বাংলায় পুজোর সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই জানান শুভেন্দু। এখানেই প্রশ্ন যে কোন পদ্ধতিতে বেছে নেওয়া হবে ক্লাব? তা এখনও জানা যায়নি। তবে সূত্রের খবর, একটি ফর্মপূরণ করতে হবে ক্লাবগুলোকে। সেখানে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কারা পাবে আর কারা পাবে না, তা ঠিক করবে রাজ্য।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement