shono
Advertisement
ED Raid

নাদিমুলের ৬০ কোটির অবৈধ লেনদেনে হাওয়ালা যোগ! ২৪ ঘণ্টা পর তল্লাশি সেরে বেরল ইডি

সোমবার সকালে নাদিমুলের বাড়ি-অফিসে তল্লাশি শুরুর পর রাঁচি থেকে সাংসদকে উড়িয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন আধিকারিকরা।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 09:51 AM Sep 08, 2026Updated: 05:59 PM Sep 08, 2026

২৪ ঘণ্টা ধরে টানা ইডির তল্লাশি (ED Raid) চলল তৃণমূল সাংসদ নাদিমুল হকের বাড়ি ও অফিসে। সোমবার সকাল থেকে শুরু করে তল্লাশি জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব সেরে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ বেরিয়ে যান ইডি আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, নাদিমুল হকের সংবাদপত্র অফিসের আড়ালে তৃণমূলের নামে যে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পেয়ে তাঁরা তদন্তে নেমেছেন, তাতে ৬০ কোটি টাকা গরমিল পাওয়া গিয়েছে। এই অর্থ কাদের অ্যাকাউন্টে আদানপ্রদান হল, হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন হলো কি না, এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, যত রহস্য লুকিয়ে ওই ৬০ কোটিতেই। ইডির এই তল্লাশিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি কালীঘাট তৃণমূল।

Advertisement

ইডি সূত্রে খবর, ব্যাঙ্ক লেনদেনের কাগজপত্র ও বেশ কিছু ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখা হয়। এর মধ্যে ৬০ কোটি টাকার লেনদেনের যথাযথ কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি তদন্তকারীদের। এ বিষয়ে নাদিমুল হককে প্রশ্ন করা হলে তিনিও তেমন জবাব দিতে পারেননি। আর সেই কারণেই যত কৌতূহল তৈরি হয়েছে এই ৬০ কোটি টাকা নিয়ে। ইডির দাবি, ওই হিসেব সন্দেহজনক। হাওয়ালার মাধ্যমে চাকা লেনদেন হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।

তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকে একটি উর্দু সংবাদপত্রের দপ্তর রয়েছে পার্কসার্কাসে। এই দপ্তরের আড়ালে বেআইনি আর্থিক লেনদেন চলে বলে অভিযোগ ওঠে। আরও অভিযোগ ছিল, কালীঘাট তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট থেকেও নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ পাচার হয়েছে নাদিমুলের এই অফিসের আড়ালে। গত মাসে বিধাননগর থানায় এই সংক্রান্ত অভিযোগ জমা পড়ে। তার তদন্তে নেমে সোমবার সকাল থেকে সাংসদের কলকাতার অফিস, বাড়ি এবং দিল্লি ও রাঁচির দপ্তরে মোট সাতটি ঠিকানায় অভিযান শুরু করে ইডি। জানা যায়, সেসময় নাদিমুল হক ছিলেন রাঁচিতে। সেখান থেকে তাঁকে সোমবার রাতে নিয়ে আসা হয় কলকাতায়। এরপর তাঁকে সঙ্গে নিয়েই কলকাতার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চলে।

ইডি সূত্রে খবর, ব্যাঙ্ক লেনদেনের কাগজপত্র ও বেশ কিছু ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখা হয়। এর মধ্যে ৬০ কোটি টাকার লেনদেনের যথাযথ কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি তদন্তকারীদের। এ বিষয়ে নাদিমুল হককে প্রশ্ন করা হলে তিনিও তেমন জবাব দিতে পারেননি। আর সেই কারণেই যত কৌতূহল তৈরি হয়েছে এই ৬০ কোটি টাকা নিয়ে। ইডির দাবি, ওই হিসেব সন্দেহজনক। হাওয়ালার মাধ্যমে চাকা লেনদেন হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে খবর।

তবে দিনভর কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদকে ঘিরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের এই চিরুণি তল্লাশি নিয়ে কটাক্ষ করেছে দল। তাদের প্রতিক্রিয়া, 'এতক্ষণ তল্লাশি চালিয়ে শূন্য ছাড়া কিছুই হাতে আসেনি ইডির। একটা পুরনো ফোন, ট্যাব বাজেয়াপ্ত করেছে। তাতে দলের নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। এটা সম্পূর্ণত রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।'

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement