ভোটের মুখে ফের 'অ্যাকশন মোডে' কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। বুধবার সাতসকালে বালিগঞ্জের ফার্ন রোডে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে হানা ইডির। এছাড়াও আরও ৫-৬টি জায়গায় অভিযান চলছে বলে খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি দখল করে বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতি মামলায় তদন্তে এই অভিযান।
বালিগঞ্জের বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার খোঁজ করছে পুলিশ। এই আবহে আজ, বুধবার তার বাড়িতে হানা দেয় ইডির আধিকারিকরা। বাড়িতে তল্লাশি চলছে। চারদিক ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সোনা পাপ্পুর বাড়ির পাশাপাশি বালিগঞ্জের এক সংস্থার অফিস ও মালিকের বাড়িতে তল্লাশি চলছে বলে জানা গিয়েছে। এই মালিককে আগে কয়লা পাচার মামলায় জেরা করেছিল ইডি। তবে সেই অফিসের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা জানা যায়নি। এছাড়াও আরও কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।
উল্লেখ্য, গোলপার্কের কাঁকুলিয়া রোডের গুলি ও বোমা চলার ঘটনায় উঠে আসে সোনা পাপ্পুর নাম। সে কসবার, তোপসিয়া এলাকার বাসিন্দা। এলাকার মানুষের কাছে পাপ্পু নামেই পরিচিত ছিলেন বিশ্বজিৎ। জানা যায়, পরিবারের দীর্ঘদিনের সোনার ব্যবসা ও দোকান রয়েছে। স্থানীয়দের কথায়, মাঝে মধ্যেই সেই দোকানেও দেখা যেত পাপ্পুকে। আর সেখান থেকেই ধীরে ধীরে অপরাধের জগতে নিজের সাম্রাজ্য বিস্তার!
শুধু তাই নয়, কসবা, তোপসিয়া এলাকায় ‘ত্রাস’ হয়ে ওঠেন এই সোনা পাপ্পু। এর মধ্যেই ২০১৫ সালে বালিগঞ্জ রেল ইয়ার্ডে এলাকা দখলের নামে যে সংঘর্ষ হয়েছিল, তাতেই এই পাপ্পুর নাম সামনে আসে। শুধু তাই নয়, পরে ২০১৭ তে একটি খুনের মামলাতেও তাঁর নাম জড়ায়। একটি পৃথক এফআইআরে নাম ছিল তাঁর। এছাড়াও একাধিক মামলা রয়েছে 'ফেরার' সোনা পাপ্পুর বিরুদ্ধে। এবার তাঁর বাড়িতে হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।
