shono
Advertisement
ED Summon

বাথরুমে পড়ে গিয়ে অসুস্থ রথীন এড়ালেন হাজিরা, ইডির তলবে কী অজুহাত সুজিতের?

দুই বিদায়ী মন্ত্রীই 'অজুহাত' দেখিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা এড়ালেন।
Published By: Jaba SenPosted: 06:45 PM May 06, 2026Updated: 09:08 PM May 06, 2026

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আজ, ৬ মে ফের রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিদায়ী মন্ত্রী রথীন ঘোষ ও সুজিত বসুকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED Summon)। কিন্তু দুজনেই 'অজুহাত' দেখিয়ে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা এড়ালেন। অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ইডিকে চিঠি পাঠিয়েছেন রথীন। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের পাশে থাকার জন্য ইডির কাছ থেকে সময় চেয়ে নিয়েছেন সুজিত বসু।

Advertisement

পুর নিয়োগ মামলায় আগেও একাধিকবার সুজিত বসু ও রথীন ঘোষকে তলব করে ইডি। কিন্তু নির্বাচনের কাজে ব্য়স্ত থাকায় দু'জনেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাছ থেকে সময় চেয়ে নেন। তিন বার হাজিরা এড়ানোর পর ভোট মিটতেই ১ মে সিজিও কমপ্লেক্সে আসেন সুজিত বসু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন পুত্র সমুদ্র বসুও। প্রায় ৯ ঘণ্টা সুজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনই ইডি জানিয়ে দেয়, ৬ মে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে তাঁকে ফের সিজিও কমপ্লেক্সে আসতে হবে। ৬ তারিখ রথীন ঘোষকেও হাজিরার নির্দেশ দেয় ইডি। এর ৩ দিনের মাথায় রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। গেরুয়া ঝড়ে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল সরকার। ২০৭টি আসনে জিতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে রাজ্যে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। এই আবহে আজ তলব এড়ালেন তৃণমূল সরকারের দুই বিদায়ী মন্ত্রী। ইডিকে চিঠি লিখে হাজিরা না দিতে পারার কারণ জানিয়েছেন তাঁরা।

রথীন চিঠিতে জানিয়েছেন, তিনি বাথরুমে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছেন। চিকিৎসকরা তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই কারণে আপাতত তিনি ইডির তলবে যেতে পারছেন না। অন্যদিকে, সুজিত চিঠিতে জানান, ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের একাধিক কর্মী-সমর্থক আক্রান্ত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। সেই কারণেই আপাতত হাজিরা দিতে পারছেন না। দু'জনেই ইডির কাছ থেকে কিছুদিনের সময় চেয়ে নিয়েছেন।

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ১ মে ৯ ঘণ্টা জেরার পর ইডি দপ্তর থেকে বেরিয়ে এসে সুজিত জানিয়েছিলেন, “আমি সাক্ষী হিসাবে এসেছিলাম। তদন্তে সহযোগিতার জন্য ডাকা হলে অবশ্যই আসব। কখনও যেন হেনস্তার জন্য ডাকা না-হয়। ব্যবসা করা কখনও কোনও অপরাধ নয়। চুরি করাটা অপরাধ।” অন্যদিকে, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০২৩ সালে রথীন ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। তাঁর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। এরপর ছাব্বিশের নির্বাচনের সময় তাঁকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়ান। ভোট-পর্ব, গণনা মিটে যাওয়ার পরে আজ, বুধবারও তিনি হাজিরা এড়ালেন। উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যমগ্রাম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী রথীন ঘোষ। তবে সুজিত বসু বিধাননগর আসন থেকে বিজেপি প্রার্থীর কাছে হেরে গিয়েছেন। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement