shono
Advertisement
Evening OPD

এবার সন্ধেতেও খোলা থাকবে সরকারি হাসপাতালের ওপিডি! বাংলার 'স্বাস্থ্য' ফেরাতে উদ্যোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সান্ধ্য পে ক্লিনিকে মোট যে আয় হবে, তার ৬০ শতাংশ ডাক্তারবাবুকে, ২০ শতাংশ নার্সকে, ১০ শতাংশ গ্রুপ ডি কর্মীকে দেওয়া হবে।
Published By: Arpita MondalPosted: 02:27 PM Aug 08, 2026Updated: 02:54 PM Aug 08, 2026

'রেভিনিউ শেয়ারিং' মডেলে এবার সরকারি হাসপাতালে 'ইভিনিং ওপিডি' চালু করতে চাইছে নবান্ন। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সান্ধ্য পে ক্লিনিকে মোট যে আয় হবে তার ৬০ শতাংশ ডাক্তারবাবুকে, ২০ শতাংশ নার্সকে, ১০ শতাংশ গ্রুপ ডি কর্মীকে দেওয়া হবে। বাকি ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে। সম্প্রতি স্বাস্থ্যভবনের এক বৈঠকে এই নিয়ে ডাক্তারদের মত নেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।

Advertisement

তিনি জানান, পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রিসভার সবুজ সংকেত দরকার। আসলে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানোর জন্য সকালের বিনামূল্যের ওপিডিতে অনেকেই গুঁতোগুঁতি করে ডাক্তার দেখাতে বাধ্য হন। আসলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের একাংশ ওপিডি শেষে প্রাইভেট প্র্যাক্টিসে বা নার্সিংহোমের উদ্দেশে বেরিয়ে যান। তাই দুপুরের পর সরকারি হাসপাতালে জটিল কেস এলে বিশেষজ্ঞদের অন-কল পেতে সমস্যা হয়। ইভিনিং পে ক্লিনিক চালু হলে সকাল-বিকেল দুটো স্লটেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সরকারি পরিসরে যুক্ত করে রাখা যাবে।

সেই সঙ্গে বঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়াতে নতুন সার্কুলার জারি করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। যেখানে বলা হয়েছে, এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য পরিষেবা, পশ্চিমবঙ্গ জনস্বাস্থ্য প্রশাসনিক পরিষেবা এবং পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিষেবার আওতাভুক্ত ৬৬২ জন আধিকারিককে ট্রেনি রিজার্ভ হিসাবে রাখা যেতে পারে। সূত্রের খবর, গত বছর এই সংখ্যা ছিল চারশোর মতো। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডা. রাজীব পাণ্ডে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের এই সিদ্ধান্তে।

আগে ৪০০ জন মতো ট্রেনি রিজার্ভ হিসেবে রাখা যেত। এবার সেই সংখ্যা বাড়ানোয় খুশি চিকিৎসকরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এবার থেকে অনেক বেশি চিকিৎসক উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবেন। আগে যদি ট্রেনি রিজার্ভের সীমা পূর্ণ হয়ে যেত তা হলে যোগ্য হয়েও অনেক চিকিৎসক এমডি অথবা এমএস কোর্সে যেতে পারতেন না। এবার অনেক বেশি চিকিৎসক এমডি এমএস অথবা উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করার জন্য ছুটি নিতে পারবেন। এর ফলে বঙ্গে বাড়বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংখ্যা। ভবিষ্যৎ পরিষেবার মান আরও উন্নত হবে। ট্রেনি রিজার্ভের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলায় পোস্ট গ্র্যাজুয়েট আসন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও কমবে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement
toolbarHome ই পেপার toolbarup মহানগর toolbarvideo শোনো toolbarshorts রোববার