shono
Advertisement

Breaking News

New market hotel

পেটের টানে ঝাড়খণ্ড থেকে নিউমার্কেটের হোটেলে এসে মৃত্যু! অঝোরে কান্না সন্দীপের কাকা-দাদার

অগ্নিকাণ্ডের জেরে ফ্রিজের কমপ্রেসার ফেটে মৃত্যু বলেই দাবি পরিবারের।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 10:45 AM Aug 19, 2026Updated: 02:25 PM Aug 19, 2026

পেটের তাগিদে ঝাড়খণ্ড থেকে কলকাতায় কাজে এসেছিলেন সন্দীপ পাসওয়ান। ভাবতেই পারেননি বছর পেরনোর আগেই বাড়িতে পৌঁছবে দেহ। কিন্তু হল ঠিক তেমনটাই। নিউমার্কেটের হোটেল শিখা ইন-এর আগুন প্রাণ কাড়ল সন্দীপের। হাসপাতাল চত্বরে বসে কান্নায় ভেঙে পড়লেন যুবকের কাকা ও দাদা। কোলে পিঠে করে বড় করা সন্তানের দেহ নিয়ে ঘরে ফিরতে হবে, ভেবেই ডুকরে উঠছেন সন্দীপের কাকা। 

Advertisement

 ঝাড়খণ্ডের গিরিডির বাসিন্দা সন্দীপ পাসওয়ান। বাড়িতে রয়েছে মা, দাদা, বোন-সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।পড়াশোনা ছেড়ে বাড়িতেই বসে ছিল বছর ১৯-র তরুণ। কাজের খোঁজ করছিলেন তিনি। মাস তিনেক আগে নাগেরবাজারের বাসিন্দা কাকা সীতারাম পাসওয়ান কলকাতার হোটেলে কাজের খোঁজ দেন যুবককে। এরপর সন্দীপকে কলকাতায় নিয়ে আসেন সীতারাম। সেই থেকে শিখা ইন-এই কাজ করছিলেন সন্দীপ। অন্যান্যদিনের মতোই মঙ্গলবার রাতেও হোটেলে ছিলেন তিনি। ভাবতেও পারেননি কী ভয়ংকর বিপদ অপেক্ষায়। রাত পৌনে ২ টো নাগাদ আগুন লাগে বিল্ডিংয়ের তিনতলায়। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় বিল্ডিং। বেরনোর চেষ্টা করলেও সংকীর্ণ সিঁড়ি, ধোঁয়ার দাপটের কারণে আবাসিকদের মতোই সন্দীপও বেরতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।

বুধবার সকালে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন কাকা সীতারাম। বলেন, "ওঁর বাবা মারা গিয়েছে বছর চারেক আগে। ছেলেটার কাজের দরকার ছিল। তাই নিয়ে এসেছিলাম। ঝাড়ু দেওয়া, সাফাইয়ের কাজ করত। কিন্তু এমন খবর পাব ভাবিনি।" সীতারাম জানান, মঙ্গলবার রাত তিনটে নাগাদ তিনি খবর পেয়ে বাড়ি থেকে রওনা দেন। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে এসে সন্দীপের দেহ সনাক্ত করেন। মৃতের কাকার দাবি, "ও ফ্রিজের পাশে ঘুমোতো। শুনছি ফ্রিজের কম্প্রেসার ফেটে আগুন ধরেছিল। ভাইপোর মুখ ও বুকে কিছুটা ঝলসে গিয়েছে।" 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement