পালাবদলের পর থেকে বারবার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগে সরব হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat Trinamool)। একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা (West Bengal Law & Order) পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও রাজ্যপাল আরএন রবির সঙ্গে কথা বলতে চাইছে তাঁরা। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই কালীঘাট তৃণমূলের তরফে তাঁদের চিঠি পাঠিয়ে সময় চাওয়া হয়েছে।
কালীঘাট তৃণমূলের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁদের কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। যদিও বিজেপি বরাবরই বলা হয়েছে, অন্যায় যেই করুন, রং না দেখে শাস্তি হবে। পরবর্তীকালে সোনারপুর নিহত কর্মী বাড়ি যাওয়ার সময় ডিম হামলার শিকার হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হালিশহরে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে কাদা-জল ছোড়া হয়। একাধিকবার ডিম হামলার মুখে পড়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। এসবের মাঝে বৃহস্পতিবার ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।
গত ৪ মে প্রকাশিত হয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের ফল। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে বাংলার রাশ মানুষ দিয়েছে বিজেপির হাতে। তারপর থেকে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁদের কর্মীদের হেনস্তা করা হচ্ছে। বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। যদিও বিজেপি বরাবরই বলা হয়েছে, অন্যায় যেই করুন, রং না দেখে শাস্তি হবে। পরবর্তীকালে সোনারপুর নিহত কর্মী বাড়ি যাওয়ার সময় ডিম হামলার শিকার হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হালিশহরে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে কাদা-জল ছোড়া হয়। একাধিকবার ডিম হামলার মুখে পড়েছেন একাধিক তৃণমূল নেতা। এসবের মাঝে বৃহস্পতিবার ভোরে ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। দপ্তরের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলেও দাবি। গোটা পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন কালীঘাট তৃণমূল। তাই তাঁরা এবার দেশের সাংবিধানিক প্রধান রাষ্ট্রপতি এবং রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপালের দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তৃণমূল জমানায় বহুবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৎকালীন বিরোধী বিজেপি। সেই সময় তার প্রতিবাদে সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। কিন্তু ক্ষমতার হাত বদল হতেই এবার সেই রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্তই নিল কালীঘাট তৃণমূল। ইতিমধ্যেই রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতি ও বাংলার রাজ্যপালকে চিঠি পাঠানো হয়েছে সাক্ষাতের সময় চেয়ে।
