shono
Advertisement
TMC Ritabrata Banerjee

বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের ভিড়, ঋতব্রতের 'আসল তৃণমূলের' সংখ্যা বেড়ে হবে ৬২!

ক্রমেই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কদের সংখ্যা বাড়ছে। 'আসল তৃণমূলে'র সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্যে বিরোধী দলনেতা ঘোষিত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে ঋতব্রতদের শিবিরে রয়েছেন ৫৮ জন বিধায়ক। সেই সংখ্যা আগামী দিনে ৬২ হতে পারে!
Published By: Suhrid DasPosted: 07:50 PM Jun 08, 2026Updated: 08:50 PM Jun 08, 2026

ক্রমেই বিক্ষুব্ধ তৃণমূল বিধায়কদের সংখ্যা বাড়ছে। 'আসল তৃণমূলে'র সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। রাজ্যে বিরোধী দলনেতা ঘোষিত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে ঋতব্রতদের শিবিরে রয়েছেন ৫৮ জন বিধায়ক। সেই সংখ্যা আগামী দিনে ৬২ হতে পারে! এমন কথাও বিধানসভার অন্দরে শোনা যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহেই আরও ২ বিধায়ক বাড়তে পারে। সেই কথাও শোনা গিয়েছে এদিন। তাঁরা আপাতত সমর্থন জানাবেন। বিধানসভার স্পিকারকে সেই সমর্থনের কথা জানানো হবে।

Advertisement

এদিন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "মাননীয় স্পিকার এখন নেই। আমাদের সংখ্যা অনেক। ববিদার সঙ্গে বহু দিনের আলাপ। তিনি কলকাতার প্রাক্তন মহানাগরিক। আমাদের সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে, ববিদা যখনই বিধানসভায় আসুক, আমাদের সঙ্গে যেন ববিদার কথোপকথন হতে পারে। এর বেশি কিছু বলছি না" তিনি আরও বলেন, "শামিম আহমেদ এসেছিলেন, কোনও স্বাক্ষর হয়নি। স্পিকার আসলে যারা চিঠি দিতে চান, পরে আলোচনা করে ঠিক হবে। কাল অনেক নেতৃত্ব থাকবেন। বসে আলোচনা করব।" 

আজ, সোমবার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হামিক গিয়েছিলেন। সেখানে একটি বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদও ছিলেন। এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই জোর চর্চা চলছে।

প্রসঙ্গত, আজ, সোমবার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হামিক গিয়েছিলেন। সেখানে একটি বৈঠক হয়। জানা গিয়েছে, ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক শামিম আহমেদও ছিলেন। এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেই জোর চর্চা চলছে। এদিন ঋতব্রত বলেন, "সংখ্যা আগের থেকে বেশি। আজকে কোনও স্বাক্ষর হয়নি, যা হবে সরাসরি মাননীয় স্পিকারের কাছে ব্যক্তিগত চিঠি দিয়ে করতে হবে।" ফিরহাদ হামিকের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, "ববিদার সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে। কেউ যদি দেখা করতে আসেন, তার মানে কি যোগ দিতে আসছে? ববিদার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক।" তবে তাঁর কথাতেই তিনি জল্পনা জিইয়ে রাখলেন, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

রাজ্যের বিধায়কদের মতোই একইভাবে তৃণমূলের সাংসদরা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছেন। পরিষদীয় দলের পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলেও ভাঙন। জল্পনা সত্যি করে এবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দিলেন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা। সূত্রের খবর, আপাতত ২৮ জনের মধ্যে ২০ জন সাংসদের সই করা চিঠি জমা পড়েছে। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে চিঠি জমা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এবার বিধানসভার পর লোকসভার রাশও ‘আসল তৃণমূলে’র হাতে। শোনা যাচ্ছে, ‘বিদ্রোহী’ সাংসদের সংখ্যাটা বেড়ে ২১ হতে পারে। সেই বিষয়ে ঋতব্রত বলেন, "আমার সঙ্গে কারও কোনও আলোচনা হয়নি। গতকাল বেশ কয়েকজন এমপির কথা হয়েছিল। অনেকে দিল্লিতে আরও কয়েকদিন থাকবেন। সংবাদমাধ্যমে দেখেছি লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি জমা পড়েছে। ওখানে যারা আছেন, তাঁদের সঙ্গে বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছা আছে।" 

এদিকে তৃণমূলের প্রবীন বিধায়ক অশোক দেবও তৃণমূলের নতুন কমিটি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। ভোটে না জিতলেও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। সেই বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি।

এদিকে তৃণমূলের প্রবীন বিধায়ক অশোক দেবও তৃণমূলের নতুন কমিটি নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। ভোটে না জিতলেও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। সেই বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি। নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাতেও তিনি মনক্ষুন্ন! এমনও শোনা গিয়েছে। অশোক দেবের কথায়, "যিনি জিততে পারেননি, সেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি! দল চালাবে কী করে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো কারও সঙ্গে কথা বলে কিছু ঠিক করেন না। উনি একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন!"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement