ফের ভরদুপুরে মেট্রোয় (Kolkata Metro) আত্মহত্যার চেষ্টা! সূত্রের খবর, কালীঘাট মেট্রো স্টেশনে লাইনে ঝাঁপ দেন একজন। তড়িঘড়ি লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে শুরু করা হয়েছে উদ্ধারকাজ। ঘটনার জেরে আপ ও ডাউন লাইনে ব্যাহত পরিষেবা। ভাঙা রুটে চলছে মেট্রো। ভোগান্তির শিকার আমজনতা।
আচমকাই লাইনে ঝাঁপ দেন একজন। সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষেন চালক। এরপরই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে শুরু করা হয় উদ্ধার কাজ। ফলে আপ ও ডাউন-উভয় লাইনে ব্যাহত হয় মেট্রো চলাচল।
অন্যান্যদিনের মতোই শনিবার দুপুরেও মেট্রো স্টেশনে যাত্রী সংখ্যা নেহাত কম ছিল না। বেলা একটা নাগাদ কালীঘাট স্টেশনে ঢোকে মেট্রো। স্টেশন চত্বরে দাঁড়িয়ে ছিলেন যাত্রীরা। সেই সময় আচমকাই লাইনে ঝাঁপ দেন একজন। সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক কষেন চালক। এরপরই লাইনের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে শুরু করা হয় উদ্ধার কাজ। ফলে আপ ও ডাউন-উভয় লাইনে ব্যাহত হয় মেট্রো চলাচল। বেশ কিছুক্ষণ ভাঙা রুটে অর্থাৎ ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর ও মহানায়ক উত্তম কুমার পর্যন্ত চলে মেট্রো। ফলে চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। বেলা দেড়টা নাগাদ স্বাভাবিক হয়েছে পরিষেবা।
প্ল্যাটফর্মে নজরদারি বাড়ানো থেকে শুরু করে হেল্পলাইন নম্বর দিয়ে প্রচার। কোনও কিছুই বাদ নেই। তবুও যেন কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। মেট্রোর (Kolkata Metro) সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা চেষ্টার ঘটনা বেড়েই চলেছে ব্লু লাইনে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ সালে পাঁচ জন আত্মহত্যা করেছিলেন মেট্রোয়। ২০২৩ সালে চার জন। ২০২৪ সালে মেট্রোয় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ৭ জন। আর ২০২৫ সালের শেষ দুই এবং চলতি বছরের জানুয়ারি মিলিয়ে মোট আট জন ঝাঁপ দিয়েছেন। মেট্রোর কর্তারা জানাচ্ছেন, ২০২৫ সাল থেকে এই ঝাঁপের ঘটনা মাত্রাতিরিক্ত হয়েছে। ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি।
