shono
Advertisement

Breaking News

Samik Bhattacharya

এবিভিপি-র বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্ত! যাদবপুর-মেদিনীপুর কলেজে অশান্তিতে কী বললেন শমীক?

এসএফআই-এবিভিপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অশান্তি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার ছাত্র আন্দোলনের মাঝেই বিখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর তৈরি প্রতীকটি ভেঙে পড়ে।
Published By: Suhrid DasPosted: 06:28 PM Aug 21, 2026Updated: 06:54 PM Aug 21, 2026

এসএফআই-এবিভিপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অশান্তি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার ছাত্র আন্দোলনের মাঝেই বিখ্যাত চিত্রশিল্পী নন্দলাল বসুর তৈরি প্রতীকটি ভেঙে পড়ে। আজ, শুক্রবার মেদিনীপুর কলেজেও যাদবপুরের আঁচ দেখা যায়। ক্যাম্পাসের মধ্যেই এসএফআই-এবিভিপির সংঘর্ষ হয় বলে অভিযোগ। সেই আবহে এবিভিপি-র বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের আশঙ্কা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের।

Advertisement

এদিন সল্টলেক বিজেপির অফিস থেকে বেরনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নন্দলাল বসুর তৈরি লোগো ভাঙচুর ও মেদিনীপুর কলেজে সংঘর্ষের প্রসঙ্গ ওঠে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত চক্রান্ত। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ সরাসরি বিজেপির কোনও ছাত্র সংগঠন নয়। এটি একটি জাতীয়তাবাদী ছাত্র সংগঠন। এবিভিপি-র মূল লক্ষ্য, আদর্শের সঙ্গে লোগো ভাঙচুরের মতো ঘটনা কখনওই মেলে না। এর পিছনে অন্য কোনও উদ্দেশ্য থাকার আশঙ্কা করছেন তিনি।

কোচবিহার হোক কিংবা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্ত- জনপ্রতিনিধিরা প্রয়োজনে যেতেই পারেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধিরা কোচবিহার হোক কিংবা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্তেই যেতে পারেন। বিরোধীরা চক্রান্ত করছেন বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই ছাত্র সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনার সময় বিজেপির বিধায়ক সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। সেই নিয়ে বিজেপি বিধায়কের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেই বিষয়ে শমীক ভটাচার্যকে প্রশ্ন করা হয়। এক্ষেত্রে বিজেপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির পাশেই দাড়িয়েছেন তিনি। শমীক জানিয়েছেন, গেটের বাইরে বা আশপাশের এলাকায় কোনও গণ্ডগোল, তেমন পরিস্থিতি হলে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে তাঁদের সেখানে উপস্থিত থাকার অধিকার, দায়িত্ব রয়েছে।

গেটের বাইরে বা সংলগ্ন এলাকায় কোনও ঝামেলা বা পরিস্থিতি তৈরি হলে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসাবে তাঁদের সেখানে উপস্থিত থাকার অধিকার ও দায়িত্ব রয়েছে। কোচবিহার হোক কিংবা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্ত- জনপ্রতিনিধিরা প্রয়োজনে যেতেই পারেন বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। প্রয়োজনে জনপ্রতিনিধিরা কোচবিহার হোক কিংবা পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও প্রান্তেই যেতে পারেন। বিরোধীরা চক্রান্ত করছেন বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। জাতীয় শিক্ষানীতি বাংলাতেও হবে। সেই কথা বলে শমীক জানান, এখন দেশের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির একমাত্র কাজ প্রতি পদে কেবল বিরোধিতা করা। এই রাজ্যেও ঠিক একই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে গণ্ডগোল থেকে শিক্ষানীতি ইস্যুতে বিরোধীদেরই নিশানা করেছেন শমীক।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement