shono
Advertisement

স্বার্থে আঘাত লাগাতেই কি বিক্ষোভ? প্রশ্ন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের

১৩৮ কোর্সের প্রবেশিকা পরীক্ষা হয় মাত্র ৬টিতে৷ The post স্বার্থে আঘাত লাগাতেই কি বিক্ষোভ? প্রশ্ন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের appeared first on Sangbad Pratidin.
Posted: 11:52 AM Jul 08, 2018Updated: 12:22 PM Jul 08, 2018

দীপংকর মণ্ডল:  স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও গবেষণা মিলিয়ে ১৩৮টি কোর্সে পঠনপাঠন চলে৷ অথচ প্রবেশিকা পরীক্ষার মাধ্যমে ভরতি নেওয়া হয় শুধুমাত্র কলাবিভাগের চার বিষয়ে৷ বাকি সমস্ত কোর্সেই পড়ুয়ারা ভরতি হন নম্বরের ভিত্তিতেই৷ তা নিয়ে কেন আন্দোলন হয় না? প্রশ্ন তুললেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের অন্য একটি অংশ৷ তাঁদের অভিযোগ, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য পড়ুয়াদের ব্যবহার করছেন গুটিকয়েক শিক্ষক৷

Advertisement

[প্রবেশিকা বিতর্কে এখনও উত্তাল যাদবপুর, দাবিপূরণ না হওয়ায় অনশন পড়ুয়াদের]

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি-সহ কলাবিভাগের ৯টি বিষয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা হয় না৷ ভরতি নেওয়া হয় উচ্চমাধ্যমিক বা সমতুল পরীক্ষায় নম্বরের ভিত্তিতেই৷ এমনকী, যে বিজ্ঞান বিভাগের যাদবপুরের এত নামডাক, সেই বিভাগেও প্রবেশিকা পরীক্ষা নেই৷ শুধু ইংরেজি-সহ তিন বিষয়ে পরীক্ষা দিয়ে ভরতি হতে হয় পড়ুয়াদের৷ তা নিয়ে যত গণ্ডগোল৷ পড়ুয়াদের অনশন, অধ্যাপকদের একাংশের কর্মবিরতি৷ উত্তাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়৷ ইংরেজি বিভাগের আগের কৌলিন্য আর নেই৷ অধ্যাপকদের অন্য একটিং অংশের অভিযোগ, এই বিভাগের নিজেদের পছন্দের পড়ুয়াদের ভরতির প্রতিযোগিতা চলে৷ বিভাগীয় অধ্যাপকদের পরিচিত পাস করে প্রবেশিকা পরীক্ষায়৷ ভরতি হয়ে তাঁরা আবার বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনও করেন৷  ইংরেজি বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও খাতা দেখেন বিভাগীয় অধ্যাপকরাই৷ গত ৩০ বছর ধরে আবেদন করলেই যাদবপুরে ইংরেজি নিয়ে পড়ার সুযোগ পেয়ে যান বিভাগীয় অধ্যাপকদের ছেলেমেয়ে, এমনকী, আত্মীয়রাও৷

এবছর ইংরেজি, তুলনামূলক সাহিত্য রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও দর্শনের সঙ্গে বাংলা ও ইতিহাসেও প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়া কথা ছিল৷ সিদ্ধান্ত হয়েছিল, এই ছ’টি বিষয়ে প্রবেশিকা পরীক্ষা ও বোর্ডে পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে হবে মেধাতালিকা৷ সূত্রের খবর, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে সিদ্ধান্তে আপত্তি তোলেন শুধুমাত্র ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপকরাই৷ তাঁদের দাবি ছিল, বোর্ডের  পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর নয়, শুধুমাত্র ইংরেজি বিষয়ে নম্বর ও প্রবেশিকা নম্বর বিবেচনা করতে হবে৷ সেই দাবি মেনেও নিয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ কিন্তু, পরীক্ষা স্বচ্ছ রাখতে যখন বাইরের কয়েকজন অধ্যাপক দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব আসে, তখন ফের বেঁকে বসেন ইংরেজি বিভাগের সিংহভাগ অধ্যাপকই৷ স্বার্থ আঘাতের আশঙ্কায় প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হয় বলে অভিযোগ৷ এমনকী, গোপনে পড়ুয়াদেরও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপকরাই বলে শোনা যাচ্ছে৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায়ের অচলাবস্থা কাটাতে রাজ্যপাল তথা আচার্যের দ্বারস্থ হয়েছেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস৷ তিনি কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকেই তাকিয়ে শিক্ষামহল৷

[ রাতের কলকাতায় ফের শুটআউট, লক্ষ্য যুব তৃণমূল নেতা?]

The post স্বার্থে আঘাত লাগাতেই কি বিক্ষোভ? প্রশ্ন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের একাংশের appeared first on Sangbad Pratidin.

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement