shono
Advertisement
Railway track health check at Sealdah

রেললাইনের ফিটনেস চেক! দুর্ঘটনা এড়াতে বিরাট উদ্যাগ রেলের, শিয়ালদহে ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিশেষ মেশিন

এই মেশিন দ্বারা ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে ট্র্যাকে কোনও ফাটল বা অন্য কোনও সমস্যা দেখা দিতে পারে কি না, তারও আগাম ইন্ডিকেট বা তথ্য ফুটেজ পাওয়া সম্ভব হয়।
Published By: Arpita MondalPosted: 11:00 AM Aug 31, 2026Updated: 11:01 AM Aug 31, 2026

প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ মানুষের যাতায়াতের অন্যতম মাধ্যম। রেল লাইনে সামান্য ত্রুটিও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই যাত্রী সুরক্ষায় এবার রেললাইনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বিরাট উদ্যোগ রেলের। শিয়ালদহ স্টেশনে রেল ট্র্যাকের ত্রুটি খুঁজতে বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হল। রেল লাইনের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি আল্ট্রাসনিক ফ্ল ডিটেকশন মেশিন ব্যবহার করছে রেল।

Advertisement

এই মেশিন দ্বারা ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে ট্র্যাকে কোনও ফাটল বা অন্য কোনও সমস্যা দেখা দিতে পারে কি না, তারও আগাম ইন্ডিকেট বা তথ্য ফুটেজ পাওয়া সম্ভব হয় এই মেশিনের দ্বারা।

এই মেশিন দ্বারা ট্র্যাকের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পাশাপাশি আগামী তিন মাসের মধ্যে ট্র্যাকে কোনও ফাটল বা অন্য কোনও সমস্যা দেখা দিতে পারে কি না, তারও আগাম ইন্ডিকেট বা তথ্য ফুটেজ পাওয়া সম্ভব হয়। রেলের লাইনের ভিতরে থাকা এমন ত্রুটি, যা খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়, তা শনাক্ত করতেই এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে।

শিয়ালদহ ডিভিশনের অন্তর্গত মোট ১৩৭৫ ট্র্যাক কিলোমিটার রয়েছে। যার মধ্যে ৭৬১.২৪ কিলোমিটার ট্র্যাক ৬০ কেজি ওজনের এবং বাকি ৬১৩.৭৬ কিমি ট্র্যাক ৫২ কেজি ওজনের। সেখানে কোথাও সূক্ষ্ম ফাটল আছে কি না, এবার এই যন্ত্রের সাহায্যে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শিয়ালদহ ডিভিশনের অন্তর্গত মোট ১৩৭৫ ট্র্যাক কিলোমিটার রয়েছে। যার মধ্যে ৭৬১.২৪ কিলোমিটার ট্র্যাক ৬০ কেজি ওজনের এবং বাকি ৬১৩.৭৬ কিমি ট্র্যাক ৫২ কেজি ওজনের। সেখানে কোথাও সূক্ষ্ম ফাটল আছে কি না, এবার এই যন্ত্রের সাহায্যে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রেললাইনের স্বাস্থ্য কেমন আছে, তার আগাম আভাস পেতে এই ধরনের পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ লাইনের উপরে কোনও সমস্যা চোখে না পড়লেও ভিতরে সূক্ষ্ম ফাটল থাকতে পারে। ইউএসএফডি বা আল্ট্রাসনিক ফ্ল ডিটেকশন প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই অভ্যন্তরীণ ত্রুটি শনাক্ত করা যায়। পরীক্ষার মাধ্যমে ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট অংশে রক্ষণাবেক্ষণ এবং মেরামতির ব্যবস্থা করা যায়।

শিয়ালদহের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনা বলেন, "রেলের ট্র্যাকে অনেক সময় তাপমাত্রা, ট্রেনের ভারের কারণে লোড তৈরি হয়। এর ফলে রেললাইনে ফাটল ধরতে পারে। এই মেশিন আগে থেকেই ইনডিকেট করে দেয় যে, সমস্যা ঠিক কোথায়। এটি রেল ট্র্যাকের এক্স-রে-এর মতো কাজ করে। তাই আগে থেকেই সমস্যা জেনে সেই অনুযায়ী ট্র্যাক সংস্কার করা হয়।" সময়মতো লাইনের সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ করা, যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছে রেল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement