shono
Advertisement

Breaking News

Rajiv Kumar

বিদায়বেলায় রাজীবের মুখে 'সৎ সাহস', বললেন, 'কলকাতা পুলিশ দেশের সেরা'

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছে। বিদায় বেলায় রাজীব কুমারের মুখে সৎ সাহসের ব্যাখ্যা আদতে সেই সকল প্রশ্নের উত্তর বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 01:53 PM Jan 29, 2026Updated: 04:40 PM Jan 29, 2026

আগামী ৩১ জানুয়ারি অবসর নেবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তার আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে আলিপুর বডিগার্ড লাইনে সংবর্ধনা দেওয়া হল তাঁকে। বিদায় ভাষণে রাজ্য পুলিশের জয়গান শোনা গেল তাঁর মুখে। রাজীব কুমার এদিন বলেন, "বাংলার পুলিশ দেশের সেরা।" পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দেন, সাহসই পুলিশের অস্ত্র। যদিও সাহসের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

বিদায় ভাষণে ঠিক কী বলেছেন রাজীব কুমার? তিনি বলেন, ''বাংলার পুলিশ দেশের মধ্যে সেরা। মাওবাদী দমনে বিরাট ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্নরকম চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে কাজ করতে হয় পুলিশকে। হোমগার্ড থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্তা, কারও অবদানই কম নয়।" তিনি আরও বলেন, "সৎ সাহসই পুলিশের সব থেকে বড় অস্ত্র। তবে সাহস মানেই অ্যাকশন, গুলি চালানো নয়।" একাধিক ইস্যুতে বাংলার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বারবার। ওয়াকফ নিয়ে গতবছর উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের একাধিক এলাকা। কার্যত আগুন জ্বলেছে এলাকায়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ট্রেনও। পুলিশ চাইলেই কড়া হাতে তা সামাল দিতে পারত, কিন্তু দেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার।

ওয়াকফ অশান্তিতে জ্বলছে মুর্শিদাবাদ। ফাইল ছবি।

কিছুদিন আগেই এসআইআরকে কেন্দ্র করে ফরাক্কার বিডিও অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সোশাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তে নিন্দায় সরব হয়েছিল আমজনতা। তার পর দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। এগুলি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এমন উদাহরণ রয়েছে প্রচুর। আবার উলটো ছবিও দেখা গিয়েছে এই বাংলার বুকেই। 'ন্যায্য' চাকরিহারা শিক্ষকদের উপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে। তারপর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়াও হয়েছে। বিদায় বেলায় রাজীব কুমারের মুখে সৎ সাহসের ব্যাখ্যা আদতে সেই সকল প্রশ্নের উত্তর বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। 

আন্দোলনরত চাকরিহারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ-লাথি। ফাইল ছবি।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে কলকাতার তৎকালীন পুলিশ কমিশনার অর্থাৎ এই রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই (CBI) হানা দিয়েছিল। প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেছিলেন। বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি পুলিশ কর্মীদের পাশে রয়েছেন প্রতিপদে। অন্যায়ভাবে তাঁদের হেনস্তা করতে দেবেন না তিনি। বর্তমানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সর্বত্র প্রশ্ন উঠছে। সেই পরিস্থিতিতে উর্দিধারীদের অবদানকে আরও বড় করে তুলে ধরে রাজীবও পাশে থাকার বার্তা দিলেন মনে করা হচ্ছে।।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement