shono
Advertisement
Kolkata

পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়! এবার আদালতে যাচ্ছেন ১০৫ সেতুর নিচের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা

কলকাতার 'শ্রী-ফেরাতে' ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা রুখতেই শহরের ১০৫টি সেতুর নিচের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দিয়েছে পুরসভা।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 08:55 AM Jul 03, 2026Updated: 08:55 AM Jul 03, 2026

পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ নয়, এমনই দাবি নিয়ে হাই কোর্টে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কলকাতা পুরসভা এলাকার ১০৫টি সেতুর নিচের জবরদখলকারী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। কিন্তু যাঁদের ভোটার তালিকায় নাম নেই সেতুর নিচের সেই সমস্ত বাসিন্দাদের পুনর্বাসন দূরের কথা, ভবিষ্যৎ যে অনিশ্চিত তা ভালোই জানেন নিজেরা। তবু আদালতে গেলে যদি সুরাহা মেলে, সেই দিকেই তাকিয়ে সকলে।

Advertisement

কলকাতার 'শ্রী-ফেরাতে' ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা রুখতেই শহরের ১০৫টি সেতুর নিচের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের নোটিস দিয়েছে পুরসভা। আগামী শনি ও রবিবার বুলডোজার চলবে বলেই আশঙ্কা বাসিন্দাদের। সেই কারণে একাধিক সেতুর নিচের বাসিন্দারা মালপত্র যেমন সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। খাটালের গরু মোষগুলি লরিতে চাপিয়ে জয়নগর-হাবড়ার দিকে যাচ্ছেন অনেকে। মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুর জন্য বন্ডেলগেট, ঢাকুরিয়া-বিজন সেতু, অরবিন্দ সেতুর মতো পুরনো সেতুগুলির নিচের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা নানা রাজনৈতিক দলের নেতাদের কাছে ছুটছেন। যদিও পুরসভার 'সংস্কার ও সুরক্ষার' লক্ষ্যে সরকারি নোটিস নিয়ে বিজেপির কেউই যেমন মুখ খুলেছেন না। এদিকে তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা পুরোপুরি হাত গুটিয়ে নিয়েছেন। ফলে আদালত ছাড়া গতি নেই তাঁদের।

শহরের যে ১০৫টি সেতুর নিচে নোটিস দিয়েছে পুরসভা তার একটা বড় অংশই নির্মাণ ও দেখভাল করে কেএমডিএ। এ ছাড়াও হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশন, সেচ ও পূর্ত দপ্তরের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভারও বেশ কিছু সেতু দেখভাল করার কথা। যদিও তুলনামূলকভাবে কেএমডিএ-র সেতুগুলিরই স্বাস্থ্য খুবই খারাপ এবং অতীব ঝুঁকিপূর্ণ বলে স্বীকার করেন শীর্ষ ইঞ্জিনিয়াররা। বিশেষ করে ধেড়ে ইঁদুরের মাটি খুঁড়ে ফেলা ও নিচের বাসিন্দাদের রান্নার ধোঁয়া-তেল-কালিতে তিন-চার দশকের এই সেতুগুলি 'অতি বিপজ্জনক' হয়ে পড়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ হল, ঢাকুরিয়া ব্রিজ লাগোয়া পঞ্চাননতলা বস্তি-সহ বিভিন্ন সেতুর নিচে উচ্ছেদের নোটিস পাওয়া বাসিন্দাদের মধ্যে সমস্ত রাজনৈতিক দলের সদস্যরাই রয়েছে। পুরনো জরাজীর্ণ সেতুর নিচে থেকে স্থায়ী ও অস্থায়ী নির্মাণ সরিয়ে নেওয়ার নোটিস প্রাপকের তালিকায় স্থানীয় বিজেপির কার্যকর্তা যেমন আছেন, তেমনই সিপিএমের কলোনি কমিটি ও তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরাও রয়েছেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement