shono
Advertisement

Breaking News

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ, মদ-মাদক-বাজি-বহিরাগতে নিষেধাজ্ঞা

আয়োজকদের 'মুচলেকা' স্বাক্ষর করতে হয়েছে।
Posted: 01:23 PM Nov 19, 2023Updated: 02:12 PM Nov 19, 2023

দিপালী সেন: যাদবপুর ক্যাম্পাসে জায়ান্ট স্ক্রিনে বিশ্বকাপ দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিগ স্ক্রিনে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার দ্বৈরথ দেখার সুযোগ পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং কর্মীরা। তবে এই আয়োজনের আগে আয়োজকদের ‘মুচলেকা’ স্বাক্ষর করতে হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তরফে একগুচ্ছ শর্ত চাপানো হয়েছে আয়োজকদের উপর। বলা হয়েছে, জমায়েত করা পড়ুয়ারা মদ, মাদক সেবন করতে পারবেন না। পোড়ানো যাবে না বাজি। বহিরাগতদের এই আয়োজনে ডাকা যাবে না। পাশাপাশি মহিলাদের নিরাপত্তার দিকে নজর রাখতে হবে। 

Advertisement

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে থাকা পড়ুয়াদের কথা ভেবে এবার ক্যাম্পাসে জায়ান্ট স্ক্রিনে ফাইনাল খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিউয়ের সামনে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখাচ্ছে জেনারেল বডি। সায়েন্স আর্টস মোড়ে ব্যবস্থা করেছে এসএফএসইউ। ইঞ্জিনিয়ারিং স্ডুডেন্টস ইউনিয়ন রুমে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়েছে ফেটসু। তবে এই আয়োজনের অনুমতি চাইতে গিয়ে ‘মুচলেকা’য় স্বাক্ষর করতে হয় আয়োজকদের।

[আরও পড়ুন: জনসংযোগে হাতিয়ার বিশ্বকাপ, লোক জমাতে বিভিন্ন পার্টি অফিসে ফাইনাল দেখাবে সিপিএম]

যেখানে বলা হয়েছে,

  • মদ এবং মাদক সেবন চলবে না।
  • ওয়ার্ল্ড ভিউয়ের কাছে রাস্তা বন্ধ করা যাবে না।
  • নিরাপত্তাকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া যাবে না। 
  • খেলা শেষের ২০ মিনিটের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ভিউয়ের সামনের রাস্তা ফাঁকা রাখতে হবে। 
  • বাজি পোড়ানো যাবে না। 
  • মহিলাদের নিরাপত্তার দিকে নজর রাখতে হবে। 
  • বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। 
  • পাশাপাশি বলা হয়েছে, কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দায়ী থাকবেন মুচলেকায় স্বাক্ষরকারীরা। 

 

আয়োজক ছাত্র সংগঠগুলি জানিয়েছে, “এর আগে এ ধরনের কোনও শর্তাবলীতে স্বাক্ষর করতে হয়নি। এবার সময় একেবারে কম ছিল। সারা সপ্তাহ ছুটি ছিল। শুক্রবার একমাত্র সময় পেয়েছিলাম। এই জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলার দেখার দিকে তাকিয়ে থাকে বহু পড়ুয়া। তাই এবার শর্ত মেনে স্বাক্ষর করে দিয়েছি।”

[আরও পড়ুন: রাজ্যের বাম-কংগ্রেস জোটে ফাটল? দরকারে একা লড়ার বার্তা অধীরের]

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় চাই শান্তিশৃঙ্খলা বজায় থাকে তার জন্যই এটা করা হয়েছে। নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি থাকলে ওঁরা সবকিছু সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে। আমাদের দুঃশ্চিন্তা থাকে না। কিন্তু, এখন তো নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি নেই। তাই নিরাপত্তারক্ষীরা যাতে প্রয়োজন পড়লে সহজেই কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, তার জন্যই এটা করা হয়েছে।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement