চিংড়িঘাটায় মেট্রোর বকেয়া কাজ শেষ করতে সময় বেঁধে দিয়ে নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই চিংড়িঘাটা মেট্রোর পিলার নির্মাণের কাজ শেষ করতে হবে। এমনই নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ। তার আগেই সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হল রাজ্য সরকার। আগামী সপ্তাহে রাজ্যের আবেদনের ভিত্তি শীর্ষ আদালতে দায়ের হওয়া মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
চিংড়িঘাটা মোড়ে মেট্রোর কাজ থমকে অনেক দিন ধরেই। নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো লাইনের সম্প্রসারণের কাজ আটকে রয়েছে। মাত্র ৩১৬ বর্গমিটার অংশে কাজ অসম্পূর্ণ। সেই অংশটা ঠিক চিংড়িঘাটা মোড়ে। অভিযোগ, ওই অংশে কাজের জন্য বাইপাসে যান চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই অনুমতি না-দেওয়ায় কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছে না।
নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো লাইন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কিন্তু চিংড়িঘাটায় আটকে আছে এই প্রকল্পের কাজ। কাজ অসম্পূর্ণ রয়েছে মাত্র ৩৬৬ মিটার। সেখানে পিলার নির্মাণ করা হবে। আর সেই কাজ করতে ট্রাফিক ব্লক করতে হবে। আর তা করা নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা। শুধু তাই নয়, এই নিয়ে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টেও। অভিযোগ, এই কাজ করার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে একাধিকবার রাজ্য, কেন্দ্র, নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএল-সহ একাধিক দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক হয়। এমনকী হাই কোর্টের নির্দেশে গত কয়েকদফায় বৈঠকে বসেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা।
এই অবস্থায় মেট্রোর এই পথের পিলার নির্মাণের সময়সীমা বেঁধে দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির স্পষ্ট নির্দেশ, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই চিংড়িহাটা মেট্রোর পিলার নির্মাণের কাজ শেষ করতে হবে। এজন্য এই সময়সীমার মধ্যেই তিন রাত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করবে রাজ্য। আর তা কোন কোন তারিখে করা হবে, সেই তথ্য আগামী ৬ জানুয়ারির মধ্যে নির্মাণকারী সংস্থা আরভিএনএলকে জানাতে হবে বলেও নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের।
