shono
Advertisement

রাজ্যে ফের ৩ খুদের মৃত্যু, কারণ খতিয়ে দেখতে বি সি রায় হাসপাতালে শিশু সুরক্ষা কমিশন

মৃত তিন শিশু জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্টও।
Posted: 11:48 AM Mar 08, 2023Updated: 11:54 AM Mar 08, 2023

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য: অ্যাডিনো ভাইরাসের পাশাপাশি নিউমোনিয়ার দাপট। তা রুখতে কোমর বেঁধে লেগেছে রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তর। তা সত্ত্বেও রোখা যাচ্ছে না শিশুমৃত্যু। রংয়ের উৎসবের মাঝেও লেগেই রয়েছে প্রাণহানি। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে দু’জন এবং বি সি রায় হাসপাতালে একজন-সহ মৃত্যু হল মোট তিন শিশুর। কেন বারবার প্রাণ যাচ্ছে খুদেদের, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার সকালে বি সি রায় হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা।

Advertisement

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মৃত শিশুরা ৬ মাস বয়সি। দুই শিশুর মধ্যে একজন হাওড়ার উলুবেড়িয়ার বাসিন্দা। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতা মেডিক্যালে ভরতি করা হয় তাকে। তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার সন্ধে সাতটা নাগাদ মৃত্যু হয় তার। মৃতদের মধ্যে আরেকজন হুগলির মগরার বাসিন্দা। তাকে প্রথমে চুঁচুড়ার ইমামবাড়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। 

[আরও পড়ুন: ‘বাঘা যতীন’-এর শুটিং করতে গিয়ে আহত দেব, ব্যান্ডেজ বাঁধা চোখে পোস্ট করলেন ছবি]

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই রাত দেড়টা নাগাদ মৃত্যু হয় খুদের। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পাশাপাশি বি সি রায় হাসপাতালেও শিশুমৃত্যু যেন রোখা যাচ্ছে না। এবার প্রাণ গেল বনগাঁর বাসিন্দা বছরখানেকের এক শিশুর।

মৃত তিন শিশু জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিল। সঙ্গে ছিল শ্বাসকষ্টও। পরিবারের দাবি, অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল তারা। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে, একের পর এক শিশুর কেন মৃত্যু হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার বি সি রায় হাসপাতালে যান শিশু সুরক্ষা কমিশনের সদস্যরা।

[আরও পড়ুন: সবজি বিক্রেতার অ্যাকাউন্টে ১৭২ কোটি! বিপুল টাকার উৎসের খোঁজে আয়কর দপ্তর]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement