পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Municipality Recruitment Scam) বৃহস্পতিবার ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন মদন মিত্রের (Madan Mitra) বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র। বুধবার মদন মিত্রের ছোটো ছেলে শুভরূপ মিত্রকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডি আধিকারিকরা। আর আজ সিজিও কমপ্লেক্সে মদনের বড় ছেলে স্বরূপ হাজিরা দিলেন। মদন মিত্রের দুই ছেলের পাশাপাশি স্ত্রী অর্চনা মিত্রকেও তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই মদনকেও সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
কয়েকদিন আগেই মদন মিত্রের স্ত্রী-পুত্রদের তলব করে নোটিস পাঠিয়েছিল এনফোস্টমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই নোটিস পাওয়ার পরেই মমতার হাত ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে হাত মেলান মদন মিত্র। এই নিয়ে বিতর্ক হতেই মদন জানিয়েছিলেন, ইডির থেকে এবি (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়) বেশি ভয়ের। শিবির বদলের পরই তদন্তে সবরকম সাহায্যের বার্তা দেন তিনি। এমনকী স্ত্রী, পুত্ররাও তদন্তের মুখোমুখি হবেন বলে জানান। সেই মতো বুধবার তাঁর ছোটো ছেলে শুভরূপ মিত্র সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন। সেখানে তাঁকে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন আধিকারিকরা। ছোটো ছেলের পর বৃহস্পতিবার মদনের বড় ছেলে হাজিরা দিলেন ইডি দপ্তরে। জানা গিয়েছে, এদিন ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে স্বরূপকে। তিনি সেসব নিয়ে এসেছেন কি না তা জানা যায়নি। ইডি দপ্তরে ঢোকার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্বরূপ জানান, আগামীকাল তাঁর মা সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেবেন।
ইডির দাবি, টিটাগড় পুরসভায় মোটা অঙ্কের বিনিময়ে চাকরি পেয়েছিলেন ১২৫ জন। সেই তদন্তের সূত্রেই ইডির হাতে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের নাম উঠে আসে। এরপরই তাঁর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। তল্লাশি চলে বিধায়কের অফিস, বাড়ি-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় ইডি। এমনকী মদন মিত্রকেও এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপরই বিধায়কের দুই পুত্র অর্থাৎ শুভরূপ ও স্বরূপ মিত্রকে তলব করা হয়। তলব করা হয় মদন মিত্রের স্ত্রী অর্চনা মিত্রকেও। ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগের বিনিময়ে অবৈধ কোনও লেনদেন হয়েছিল কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে আরও জানতে ব্যাঙ্কের নথি-সহ বেশ কিছু তথ্য বিধায়কের পরিবারের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে বলে খবর। ২৯ জুলাই ডাকা হয়েছে মদন মিত্রকেও।
