shono
Advertisement
Census

কাজ সামলাতে যথেষ্ট দক্ষ! জনগণনায় শিক্ষকদের স্কুল ছুটি নয়, ইঙ্গিত শিক্ষামন্ত্রীর

মন্ত্রী আরও জানান, স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়ে শিক্ষা দপ্তর ইতিমধ্যেই সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন জারি করেছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 10:42 AM Aug 18, 2026Updated: 10:42 AM Aug 18, 2026

সেনসাসের কাজের জন্য স্কুলের পঠনপাঠনে কোনও সমস্যা হবে না বলে জানিয়ে দিলেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ। তাঁর দাবি, এ রাজ্যের স্কুল শিক্ষকরা যথেষ্ট 'কমপিটেন্ট'। তাই স্কুল এবং জনগণনার কাজ, দুটোই সমানতালে সামলাতে পারবেন। মন্ত্রীর কথায়, “সেনসাসের কাজের জন্য যে সমস্ত শিক্ষক নিয়োগ হয়েছেন, তাঁরা যথেষ্ট কম্পিটেন্ট। কোনও অসুবিধা হবে না।" সোমবার সল্টলেকের বিদ্যাসগর ভবনে 'পরখ সেল'-এর উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। সেখানেই তিনি সেনসাস নিয়ে মন্তব্য করেন।

Advertisement

মন্ত্রী আরও জানান, স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়ে শিক্ষা দপ্তর ইতিমধ্যেই সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন জারি করেছে।

এদিকে, সেনসাস ডিরেক্টর নিখিল পবন কল্যাণ বলেছেন, এটি মূলত সাম্মানিকভিত্তিক দায়িত্ব। তবে ডিএম বা পুরকমিশনাররা সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারবেন। প্রতিদিন সীমিত সময় মাঠে কাজ করেও সম্পূর্ণ করা সম্ভব। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন আনুমানিক পাঁচ থেকে দশটি বাড়ি যেতে হবে। স্কুলের সময়ের পর বা ছুটির দিনেও কাজ করতে হলে মাঠপর্যায়ের কাজ দুই ঘণ্টার বেশি করার দরকার নেই। সম্প্রতি শিক্ষকদের সেনসাসের ডিউটি দেওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবং শিক্ষক সংগঠনগুলোর উদ্বেগের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী ও সেনসাস অধিকর্তার এই বক্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মন্ত্রী আরও জানান, স্কুলের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেই বিষয়ে শিক্ষা দপ্তর ইতিমধ্যেই সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন জারি করেছে। প্রসঙ্গত, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, শিক্ষকদের স্কুলের নির্ধারিত সময়ের পরে অথবা সপ্তাহের ছুটির দিনগুলোতে (শনিবার ও রবিবার) সেনসাসের কাজ করার কথা বলা হয়েছে। ফলে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় এর কোনও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। তবে শিক্ষক সংগঠনগুলোর একাংশের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে শিক্ষকদের উপর মানসিক ও শারীরিক চাপ বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে স্কুলের পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।

শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী জানান, মঙ্গলবার সকালে এই নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা আমাদের। শিক্ষকদের এই সেনসাস প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হোক। একান্ত নিতে হলে 'অন ডিউটি' স্টেটাস দেওয়া হোক। তাঁর অভিযোগ, আঞ্চলিকস্তরে অনেক বিডিও 'অন ডিউটি' বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছেন। কিন্তু রাজ্যস্তরে তা হচ্ছে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement