shono
Advertisement
West Bengal Elections 2026

রাজ্যে জিতবে তৃণমূলই! 'স্বীকারোক্তি' কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক মীরের, প্রয়োজনে শাসকদলকে সমর্থনের ইঙ্গিত

রাজ্যে কটা আসন পেতে পারে কংগ্রেস? প্রকাশ্যে দলের অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট।
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:42 AM May 01, 2026Updated: 04:27 PM May 01, 2026

সংগঠন দুর্বল। শুধু সাহসে ভর করে ২৯৪ আসনে একা প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত দিয়ে নেমেছিল দল। তাতে সব কেন্দ্রে দলের পতাকা দৃশ‌্যমান হলেও একটা বড় সংখ‌্যার বিধানসভার আসনে আড়াইশো বুথের মধ্যে ৫০ বুথেও এজেন্ট দেওয়া যায়নি। তার পরও রাজ্যে দলের ভোটের (West Bengal Elections 2026) শতাংশ বাড়বে বলে আত্মবিশ্বাসের কথা জানাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস। নির্বাচনের প্রথম দফাকেই মূলত পাখির চোখ ধরেছে তারা। দ্বিতীয় দফায় শ্রীরামপুর আসন নিয়েও বাজি ধরেছে।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, অন্তত ২০০ আসনে ভোটের শতাংশ বাড়তে চলেছে দলের। আর জয় আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে ৮টি আসনে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে তাঁদের দল নির্ণায়ক ভূমিকা নিতে পারে বলে বৃহস্পতিবার দাবি করেছেন কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গোলাম মীর। সংবাদমাধ‌্যমের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, “তৃণমূল যদি একা সরকার গঠন করতে না পারে, সেক্ষেত্রে কংগ্রেস নির্ণায়ক ভূমিকা নেবে। তাদের সমর্থন দরকার পড়বে।” মীরের এই বক্তব‌্য নিয়ে জোট জল্পনা বেড়েছে।

মীর আরও দাবি করেছেন, বাংলার ভোট নিয়ে এক্সিট পোল যা দেখাচ্ছে, তার উলটো ফল হবে। রাজ্যের মহিলাদের হাতে সরাসরি যে আর্থিক সুবিধা দিয়েছে রাজ‌্য সরকার, তার সুফল তৃণমূলের পক্ষেই পড়বে বলে মনে করছেন মীর। এবারের ভোট নিয়ে স্পষ্ট কোনও পক্ষই বুথ ফেরত সমীক্ষার রিপোর্ট দিতে পারেনি। তৃণমূল আর বিজেপি দুটি দলই নিজেদের জয় নিয়ে জোরালো দাবি করলেও ভিতরে ভিতরে স্পষ্ট কোনও জবাব দিতে পারেনি। মীরের বক্তব‌্য, “বাংলার ভোটাররা খুব সচেতন। সাইলেন্ট ভোট হয়েছে বাংলায়। ভোটাররা কাউকে বুঝতে দেননি কাকে তাঁরা ভোট দিচ্ছেন। কারণ তৃণমূলকে সমর্থনের কথা বিজেপি জানতে পারলে, তারা অশান্তি করবে। আবার বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে জানতে পারলে তৃণমূল ঝামেলা করবে। কারণ এই দুটোই মূল যুযুধান দল। কিন্তু মনে রাখতে হবে রাজ্যে মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ মহিলা, যাঁদের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ ভোট তৃণমূল পাবে। আমাদের বিশ্বাস বিজেপির ঘরের মহিলারাও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে।” এত বড় দাবির পিছনে তাঁর যুক্তি, “তৃণমূল সরকারের থাকার সুবিধা পাবেই। নানা পরিষেবা, বিশেষ করে মাসে পরিবারপিছু আর্থিক ৮-১০ হাজার টাকার অনুদানের সুফল সরাসরি তৃণমূল পাবে। তাছাড়া তৃণমূলেরই একমাত্র রাজ্যে সাংগঠনিক শক্তি ভাল। বাম তো শূন‌্য হয়ে গিয়েছে। কংগ্রেসের সংগঠন দুর্বল। আর বিজেপি হাওয়ায় কথা বলে, কোনও সংগঠন নেই। তাই এক্সিট পোল যা দেখাচ্ছে তার উলটো ফল হবে। ৪ তারিখ মিলিয়ে নেবেন।” একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, “তৃণমূল আর বিজেপি, দুটো দলেরই থ্রেট ছিল। কংগ্রেস এই কারণেই তৃতীয় শক্তির কথা বলেছিল।”

মীরের বক্তব‌্য, “বাংলার ভোটাররা খুব সচেতন। সাইলেন্ট ভোট হয়েছে বাংলায়। ভোটাররা কাউকে বুঝতে দেননি কাকে তাঁরা ভোট দিচ্ছেন। কারণ তৃণমূলকে সমর্থনের কথা বিজেপি জানতে পারলে, তারা অশান্তি করবে। আবার বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে জানতে পারলে তৃণমূল ঝামেলা করবে। কারণ এই দুটোই মূল যুযুধান দল। কিন্তু মনে রাখতে হবে রাজ্যে মোট ভোটারের ৫০ শতাংশ মহিলা, যাঁদের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ ভোট তৃণমূল পাবে। আমাদের বিশ্বাস বিজেপির ঘরের মহিলারাও তৃণমূলকে ভোট দিয়েছে।”

এর মধ্যে কংগ্রেসও গণনাকেন্দ্রের প্রস্তুতি নিচ্ছে। গণনার ক্ষেত্রে সবরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে ধরে নিয়েই কর্মী ও এজেন্টদের সঙ্গে আলোচনা-চর্চা চলেছে দলীয় নেতৃত্বের। এক রাজ‌্য নেতার কথায়, “উত্তরবঙ্গের মালদহ, দুই দিনাজপুর আর মুর্শিদাবাদ থেকেই আমরা বেশি সংখ‌্যক আসন পাচ্ছি বলে রিপোর্ট আছে। শ্রীরামপুর আসনটিকেও আমরা হিসাবের মধ্যে রেখেছি। বাকি আসনে শতাংশ অনেকটাই বাড়বে।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement