এসআইআরের (West Bengal SIR) পর এখনও অনিশ্চয়তা ভোটারদের একাংশের। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) প্রথম দফায় আদৌ ভোট দিতে পারবেন কি না, সেই ভাবনা এখনও কাটেনি। যাঁদের নাম বিচারাধীন ছিল, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কমিশন গঠিত ট্রাইব্যুনালে সেসব নাম নিষ্পত্তি হয়েছে ঠিকই। তবে কার নাম উঠল, কারটাই বা বাদ পড়ল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে এখনও।
শীর্ষ আদালতে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের নির্দিষ্ট সময় আগে বিধি মেনে এই ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। সেই নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা অর্থাৎ প্রচার শেষ হওয়ার পর সেই তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, এই তালিকায় নাম থাকলেই আগামী ২৩ তারিখ ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন আপনি।
এনিয়ে ফের শীর্ষ আদালতে মামলা গড়ালে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের নির্দিষ্ট সময় আগে বিধি মেনে এই ভোটারদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে কমিশনকে। সেই নির্দেশ মেনে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা অর্থাৎ প্রচার শেষ হওয়ার পর সেই তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। জানা যাচ্ছে, এই তালিকায় নাম থাকলেই আগামী ২৩ তারিখ ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন আপনি। আবার ২৯ তারিখ, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে ২৭ এপ্রিল এই তালিকা প্রকাশিত হবে। তাতে স্পষ্ট হয়ে যাবে ওই দফার নির্বাচনী কেন্দ্রগুলিতে কোন কোন ভোটার ভোট দিতে পারবেন আর কারা পারবেন না।
কীভাবে কমিশন প্রকাশিত এই তালিকা দেখবেন অপেক্ষমান ভোটাররা, সে বিষয়টি এখনও অন্ধকারে। কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে নাকি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের বুথে বুথে সেই 'যোগ্য' ভোটারদের তালিকা দেওয়া হবে, তা জানেন না ভোটাররা।
আগামী ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২ টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ। এমন একাধিক কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে বহু ভোটারের নাম বিচারাধীন ছিল। একে একে তার নিষ্পত্তি হয়েছে। তাতেও যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নতুন করে আবেদন করতে হয়েছে কমিশন গঠিত প্রাক্তন বিচারপতিদের ট্রাইব্যুনালে। আরও বেশি তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে হয়েছে। সেসব খতিয়ে দেখেছে ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু ভোটার হওয়ার পরীক্ষায় পাশ করতে পারলেন কি তাঁরা, সেই 'রেজাল্ট আউট' হবে আজ বিকেলে।
তবে কীভাবে কমিশন প্রকাশিত এই তালিকা দেখবেন অপেক্ষমান ভোটাররা, সে বিষয়টি এখনও অন্ধকারে। কমিশনের ওয়েবসাইটে দেখা যাবে নাকি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের বুথে বুথে সেই 'যোগ্য' ভোটারদের তালিকা দেওয়া হবে, তা জানেন না ভোটাররা। এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেনি। ফলে চিন্তা থাকছেই।
