আগেই অভিযোগ জানানো হয়েছিল আলিমুদ্দিনে। এবার সিপিএম ঘনিষ্ঠ আইনজীবীর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে যৌন হেনস্তার অভিযোগ জানালেন তাঁরই এক মহিলা জুনিয়র আইনজীবী। তিনি মধ্য কলকাতার হেয়ার স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। ওই মহিলা আইনজীবী পুলিশকে তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করার অনুরোধ জানান।
পুলিশের কাছে অভিযোগ, গত আগস্টে তিনি কোর্টপাড়ায় ওই আইনজীবীর চেম্বারে যোগ দেন। এরপর থেকেই বিভিন্নভাবে যৌন হেনস্তা করেন অভিযুক্ত আইনজীবী। সিনিয়র হিসাবে মহিলার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে তাঁর জানার অধিকার রয়েছে বলে দাবি করেন। অনেক রাত পর্যন্ত মহিলাকে হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস ও ভিডিও কল করে হেনস্তা করতে থাকেন।
সেপ্টেম্বরে নিজের ব্যক্তিগত চেম্বারে ডেকে অভিযোগকারিণীর শরীর স্পর্শ করেন। ক্রমে মহিলা জানতে পারেন, তাঁর সিনিয়র আইনজীবী যৌন হেনস্তায় অভ্যস্ত! নভেম্বরের মাঝামাঝি তাঁর শারীরিক গঠন নিয়ে ওই আইনজীবী কুমন্তব্য করেন। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কাজের অছিলায় ওই মহিলা আইনজীবীকে প্রাইভেট চেম্বারে আলাদাভাবে ডাকেন ওই আইনজীবী। তিনি কাজ করার সময়ই তাঁর হাত চেপে ধরে নিজের কাছে টেনে নিয়ে আসেন আইনজীবী। অভিযোগ, মহিলার হাত টেনে এনে জোর করে নিজের যৌনাঙ্গে স্পর্শ করেন ওই ব্যক্তি। তাঁকে জোর করে চুম্বন করার চেষ্টা করেন। 'অভিযুক্ত' আইনজীবী নিজের পোশাক খুলে ফেলে মহিলার সামনেই হস্তমৈথুন করতে থাকেন বলে অভিযোগ। মহিলা আতঙ্কে কাঁদতে থাকলে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্যও করেন।
এমনকী, মহিলাকে নিজের চেম্বার লাগোয়া বেডরুমে নিয়ে যাওয়ার জন্য জোর করেন। মহিলার দাবি, সেখানে সিসিটিভির ক্যামেরা নেই। কিন্তু তিনি অভিযোগপত্রে ওই আইনজীবীর শরীরে বিশেষ কয়েকটি চিহ্ন উল্লেখ করেছেন, যা একমাত্র ওই ব্যক্তিটি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত হওয়ার পরই তা দেখা সম্ভব। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
