অর্ণব আইচ: প্রকাশ্যে মদ্যপানের প্রতিবাদ করে শহরে ফের আক্রান্ত প্রতিবাদী। পাড়ার মধ্যে বহিরাগতদের নিয়ে মদ্যপানের আসর বসেছিল। প্রকাশ্যে মদ্যপানের ঘটনা দেখে প্রতিবাদ করেন স্থানীয় যুবক অমিত দাস। অভিযোগ, সঙ্গেসঙ্গেই মারমুখী হয়ে ওঠে মদ্যপ যুবকরা। অমিতবাবুকে বেধড়ক মারধর করে। এদিকে ভাইকে মদ্যপদের হাতে আক্রান্ত হতে দেখে ছুটে যান দাদা হরেকৃষ্ণ দাস। তাঁকেও রেয়াত করেনি অভিযুক্তরা। মারধরের জেরে দু’জনেই কমবেশি জখম হয়েছেন। এরপরেই থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন দু’ভাই। শনিবার সন্ধ্যায় অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ কলকাতার নিউ আলিপুরের দুর্গাপুর কলোনিতে।
[ভাগাড় কাণ্ডে আতঙ্কে বাঙালি, রবিবারের পাতেও মাংসে টান]
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই যুবক দুর্গাপুর কলোনিরই বাসিন্দা। তাদের নাম বিশ্বজিৎ বিশ্বাস ও রাজু দাস। এদের বিরুদ্ধেই মারধরের অভিযোগ এনেছেন আক্রান্ত অমিত ও হরেকৃষ্ণবাবু। অভিযোগ, বিশ্বজিৎ ও রাজু পাড়াতে মদ্যপানের আসর বসায়। আসরে জমিয়ে রাখার জন্য বহিরাগত যুবকদেরও ডেকে আনে। চলতে থাকে অশ্লীল আচরণ, কটূক্তি। আসর শুরু হয়ে গেলে পাড়ার মহিলারা শান্তিমতো আর রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে পারেন না। দিন যত যাচ্ছিল ততই বাড়ছিল এই উৎপাত। আগেও একবার প্রতিবাদ করে মদ্যপদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন অমিতবাবু। তবে তাতে কোনও ফল হয়নি। পুলিশকে জানিয়েও সেভাবে কোনও সুরাহা পাননি তাঁরা।
আক্রান্তদের দাবি, অভিযুক্ত যুবকদের সঙ্গে শাসকদলের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রয়েছে। তাই প্রথমবার থানায় গিয়েও সুবিচার মেলেনি। অভিযুক্তরা শাসকদলের ঘনিষ্ঠ, এই খবর পেয়ে পুলিশও তাদের ধরতে উদ্যোগী হয়নি। তাই কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর ফের প্রকাশ্যে শুরু হয় মদ্যপান। কটূক্তির মতো ঘটনা। এবার প্রতিবাদ করে মার খাওয়ার পর সোজ থানায় গেলেন আক্রান্তরা। এখন দেখার পুলিশের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না। তবে পাড়ায় মদ্যপদের এই বাড়বাড়ন্তের পিছনে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা বড় মাপের ভূমিকা পালন করছে। এমনটাই দাবি অনেকের। শহরের বুকে এই ঘটনা ঘটায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এর জেরে আতঙ্কিত মহিলারাও।
[বাড়িতেই ৫০০, ২০০ টাকার জাল নোটের কারখানা, বরানগরে চাঞ্চল্য]
The post প্রকাশ্যে মদ্যপানের প্রতিবাদ করে আক্রান্ত দাদা ও ভাই appeared first on Sangbad Pratidin.
