shono
Advertisement

Breaking News

Viral

'আমিই এখন বিজেপি নেতা', মন্দির সংস্কারের টাকা চাইতেই হুমকি তৃণমূল প্রার্থীর! ভাইরাল অডিও

এলাকার এক বাসিন্দা মন্দির সংস্কারের কাজ করেছিলেন। তিনি পাওনা টাকা চাইতেই হুমকি প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাসের।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 05:02 PM May 12, 2026Updated: 05:27 PM May 12, 2026

পরিবর্তনের বাংলায় দলবদলের হিড়িক ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। রাতারাতি প্রায় দলবদল করে ফেলেছেন বিভিন্ন দলের ছোট, সেজো, মেজো স্তরের নেতারা। চারপাশে গেরুয়া রংয়ের ঘনঘটা। আর সেই বদলে যাওয়া পরিচয় নিয়েই হুমকির অঙিযোগে কাঠগড়ায় বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী তথা প্রাক্তন বিধায়ক খোকন দাস। ভোট মিটে যাওয়ায় মন্দির সংস্কারের বকেয়া টাকা চাইতেই এলাকার বাসিন্দাকে তিনি পালটা হুমকি দিয়ে বললেন, ‘‘তৃণমূল হেরে যাওয়ার পর এসব নিয়ে বেশি হইচই করছিস! মনে রাখিস, আমিই এখন বিজেপি নেতা।'' দু'জনের কথোপকথনের সেই অডিও ভাইরাল। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি 'সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল'। তবে এনিয়ে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও খোকন দাসের দাবি, অডিওটি ভুয়ো।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরে কঙ্কালেশ্বরী কালীমন্দিরের পাশে একটি মন্দির আছে। তার সংস্কারের কাজ করেছিলেন এলাকারই এক বাসিন্দা। বর্ধমান দক্ষিণের তৎকালীন বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থীর কথায় তিনি ওই কাজ করেছিলেন। এরপর যখন সংস্কারের কাজ বাবদ টাকা চান ওই বাসিন্দা, তখন ভোটের আবহ। ফলে সেই সময় আর টাকাপয়সার বিষয়টি এগোয়নি। এরপর ভোট শেষ হয়েছে। বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে পরাজিত হয়েছেন খোকন দাস। তারপর ওই বাসিন্দা ফের মন্দির সংস্কারের টাকা চান। আর তাতেই তাঁকে হুমকির মুখে পড়তে হল বলে অভিযোগ।

খোকন দাসের সঙ্গে ওই বাসিন্দার কথোপকথনের একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। তাতে শোনা যাচ্ছে, ফোন করে মন্দির সংস্কারের কাজ করা ব্যক্তিকে খোকনবাবু হুমকির সুরে বলছেন, ‘‘টাকা চেয়ে লোকজনকে খুব চমকাচ্ছিস! তৃণমূল কি হেরে যাওয়ার পর ঘরে ঢুকে গেছে ভেবেছিস? কাজের জন্য খরচের হিসেব হলেই তা মেটানো হবে। বেশি বাড়াবাড়ি করবি না।'' একথা শুনে অপরপক্ষ বলে, ‘‘কাজ সেই কবে হয়েছে, কতবার টাকা চেয়েছি, পাইনি। আর আমি কাউকে চমকাইনি, শুধু কাজের টাকাই চেয়েছি। যেসব শ্রমিকরা কাজ করেছে, তাদের টাকা মেটাতে পারছি না।'' এরপরই খোকন দাস বলে ওঠেন, মনে রাখিস, ‘‘আমিই এখন বিজেপি নেতা।''

এই অডিও ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। খোকন দাসের দাবি, ‘‘কোন এক রাজমিস্ত্রি দাবি করছে যে তার নাকি কোন মন্দিরের কাজের টাকা বকেয়া আছে। আমি তাঁকে বলেছি, সেটা ট্রাস্টের ব্যাপার। ট্রাস্টের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে হিসেব নিক। এটাও বলেছি, বিজেপি জেতার পর টাকার কথা মনে পড়ল? আগে পড়েনি? এটুকুই কথা হয়েছে। বাকিটা যা শোনানো হয়েছে, সেটা আমি জানি না। আমি বলতেই পারি না যে আমি বিজেপি নেতা।'' এনিয়ে বিজেপি নেতা সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, ‘‘কেউ নিজেকে বিজেপি নেতা ঘোষণা করে দিলেই বিজেপি হওয়া যায় না। এই ধরনের অলীক কথার কোনও ভিত্তি নেই। যে অডিও বার্তা প্রকাশ্যে এসেছে সেটা শুনে সত্যতা যাচাই করা মুশকিল। তবে এই ঘটনা যদি সত্যি হয় তাহলে, একজন গরিব মজুরের টাকা বকেয়া রাখা ঠিক নয়। মন্দিরের কাজে নিযুক্ত ওই ব্যক্তির টাকা বকেয়া রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখে ট্রাস্ট বোর্ডের তরফে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যদি দীর্ঘদিন পরেও বকেয়া মজুরি দেওয়া না হয় তাহলে বিজেপি দাবি তুলবে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement