তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগে ৫ বিএলও-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। শুক্রবার সাসপেন্ড করা হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা ও বীরভূমের মোট ৫ জন বিএলওকে। শুধু তাই নয়, বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগে সরিয়ে দেওয়া হল বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার মুরলিধরকে। তাঁর জায়গায় আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বাকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে ৫ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ ছিল। এরা হলেন, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের তিনজন বিএলও তপন কুমার সাহা, অভিজিৎ দে, কুমারজিৎ দত্ত। এবং বীরভূমের দুবরাজপুর, ময়ূরেশ্বরের দু'জন বিএলও। এই ৫ জনকে আগেই শোকজ করেছিল কমিশন। তবে জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এদিন কড়া পদক্ষেপ করেছে কমিশন। এঁদের মধ্যে কুমারজিৎ শো কজের জবাব দিতে অস্বীকার করেন। এঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যে ৫ জন বিএলওকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি তৃণমূলের হয়ে প্রচারের অভিযোগ ছিল। এরা হলেন, উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের তিনজন বিএলও এবং বীরভূমের দুবরাজপুর, ময়ূরেশ্বরের দু'জন বিএলও।
নির্বাচন কমিশনের দাবি অনুযায়ী, অভিযুক্তদের মধ্যে ৩জন বিএলও-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরা তৃণমূলের হয়ে দেওয়াল লিখছিলেন। এছাড়া দুবরাজপুরে মঞ্জুরি চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ভোটারদের ভোটার স্লিপ বিতরণ করছিলেন। ময়ূরেশ্বরের বিএলও ভোটার স্লিপ বিলি করার সময় যে সাইকেলে যাচ্ছিলেন তৃণমূলের পতাকা লাগানো ছিল।
৫ বিএলও-র বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের পাশাপাশি এদিন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর জায়গায় আইপিএস আধিকারিক ত্রিপুরারি অথর্বাকে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে মুখ্যসচিবকে নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
