ভোটের মুখে বিজেপিতে যোগ অভিনেত্রী মাফিন চক্রবর্তীর (Mafin Chakraborty)। পদ্মশিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা বিকাশনারায়ণ চৌধুরীও। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে গেরুয়া শিবিরের পতাকা হাতে তুলে নেন দু'জনে। ছাব্বিশের নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) সংগঠনের হয়ে মূলত প্রচার কর্মসূচিতে তাঁরা যোগ দেবেন বলেই জানান ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু।
অভিনেত্রী মাফিন চক্রবর্তী টেলিপাড়ার চেনা মুখ। কমপক্ষে ২২টি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। ভোটমুখী বাংলায় বিজেপির প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দেবেন দু'জনে।
কে এই বিকাশনারায়ণ চৌধুরী? শুভেন্দু বলেন, "তৃণমূল প্রতিষ্ঠার সময় বাম অপশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই লড়েছিলেন। ২০০৯ সালের ৮ আগস্ট মঙ্গলকোটে সিপিএমের সঙ্গে সংঘর্ষে নেতৃত্ব দেন। কয়েকমাস জেলে ছিলেন। জেলাপরিষদে একাধিকবার জিতেছেন। নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন। কয়েকদিন আগে ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন। শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গেও কথা বলেন। মঙ্গলকোট-সহ নানা জায়গায় মিথ্যা মামলায় তাঁকে জেলে থাকতে হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই সময় দলের কেউ পাশে দাঁড়াননি। সে 'ক্ষোভে' বিকাশনারায়ণ চৌধুরী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।" অন্যদিকে অভিনেত্রী মাফিন চক্রবর্তী টেলিপাড়ার চেনা মুখ। কমপক্ষে ২২টি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। ভোটমুখী বাংলায় বিজেপির প্রচার কর্মসূচিতে যোগ দেবেন দু'জনে।
উল্লেখ্য, এর আগেও বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হয়। দিনকয়েক আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন লিয়েন্ডার পেজ। তাঁর আগমনে দেশজুড়ে বিজেপির শক্তি বাড়বে, বাংলার নির্বাচনেও বিজেপি ‘অ্যাডভান্টেজ’ পাবে বলেই দাবি করেন সুকান্ত। তার আগে একদা নবগ্রামের দোর্দণ্ডপ্রতাপ সিপিএম নেতা কানাইচন্দ্র মণ্ডলও পদ্মশিবিরে নাম লেখান। উত্তরবঙ্গ উন্নয়মন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহের ভাইপো জয় গুহও যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। প্রাক্তন তারকা ফুটবলার অরিন্দম ভট্টাচার্যও বিজেপির পতাকা হাতে নিয়েছেন। ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যা কস্তুরীও নাম লিখিয়েছিলেন পদ্মশিবিরে। এবার সেই তালিকায় জুড়ল অভিনেত্রী মাফিন চক্রবর্তী এবং বিকাশনারায়ণ চৌধুরীর নাম।
