প্রথম দফার ভোটের (Bengal Election 2026) বাকি মাত্র কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এপ্রিল রয়েছে ভোট। তার আগেই চাপে বিশ্বভারতীর ভোটকর্মীরা। আদর্শ আচরণবিধি জারি থাকা সত্ত্বেও বিশ্বভারতীতে একের পর এক কর্মী ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বদলি করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। ভোটের আগে এহেন বদলি ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। যা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ কর্মী থেকে আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যেই দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে ইমেল মারফত অভিযোগ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী ও আধিকারিকদের একাংশ। পাশাপাশি জেলা শাসক তথা জেলা নির্বাচন আধিকারিক এবং বোলপুর মহকুমা নির্বাচন আধিকারিকের কাছেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যেখানে অভিযোগ, গত ১৫ মার্চ থেকে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পরও বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ ধারাবাহিকভাবে বদলির নির্দেশ জারি রেখেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টি টাস্কিং স্টাফ তাঁদের অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, “কর্তৃপক্ষ কর্মী এবং আধিকারিকদের বদলির মাধ্যমে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। নির্বাচনী দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু প্রশাসনিক শুদ্ধতার পরিপন্থী নয়। বরং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক গতিকেও ব্যাহত করতে পারে।” ফলে এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের মধ্যে অযথা চাপ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। জানা যায়, জেলায় প্রায় ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বিশ্বভারতীর বহু কর্মী ও অধ্যাপক ভোটকর্মী হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১ এপ্রিল প্রথম পর্যায়ে ৩২ জন, ২ এপ্রিল আরও ২২ জন এবং পরবর্তীতে নির্বাচনী কাজে যুক্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
জানা যায়, জেলায় প্রায় ১১টি বিধানসভা কেন্দ্রেই বিশ্বভারতীর বহু কর্মী ও অধ্যাপক ভোটকর্মী হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গত ১ এপ্রিল প্রথম পর্যায়ে ৩২ জন, ২ এপ্রিল আরও ২২ জন এবং পরবর্তীতে নির্বাচনী কাজে যুক্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মীদের অভিযোগ, “নির্বাচনের মুখে কোনওভাবেই কর্মী বা আধিকারিকদের বদলি, পদোন্নতি বা স্থানান্তর আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন। এতে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে কর্মী উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা। একদিকে নির্বাচনী দায়িত্ব, অন্যদিকে বদলির নির্দেশ-কোনটি পালন,তা নিয়ে দিশাহীনতা তৈরি হয়েছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সংগঠনের সভাপতি কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দেখেছি এবং বিভিন্ন সূত্রে জেনেছি যে একের পর এক স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ কাম্য নয়।” এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের এক কর্তা জানান, "মাল্টি টাস্কিং স্টাফদের অভিযোগপত্র ইতিমধ্যেই জমা পড়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদিও এবিষয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
