বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ। অথচ কলকাতায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে নিয়েছিলেন বঙ্গভূষণ পুরস্কার। জল্পনা উসকে সেই অনন্ত মহারাজই এবার নরেন্দ্র মোদির সভায়। রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা মাঠের সভামঞ্চে দেখা গেল তাঁকে। রয়েছেন বংশীবদন বর্মনকেও। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের হস্তক্ষেপে মানভঞ্জন হল তাঁদের?
‘বিদ্রোহী’ বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের বাড়িতে দুই কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং ভূপেন্দ্র যাদব। তাঁদের সাক্ষাতের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের অঙ্কের কথা মাথায় রেখে কি গ্রেটার নেতার ‘মান ভাঙাতে’ তৎপর পদ্মশিবির? যদিও কী কথা হয়েছে তাঁদের, তা নিয়ে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে সেই রাত থেকেই জল্পনা মাথাচাড়া দেয় হয়তো কোচবিহারে মোদির সভামঞ্চে দেখা যাবে তাঁকে। জল্পনা সত্যি করে মোদির সভামঞ্চে অনন্ত মহারাজ।
শুক্রবার রাতে ‘বিদ্রোহী’ বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজের বাড়িতে দুই কেন্দ্রীয় নেতা মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং ভূপেন্দ্র যাদব। তাঁদের সাক্ষাতের ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, ভোটের অঙ্কের কথা মাথায় রেখে কি গ্রেটার নেতার ‘মান ভাঙাতে’ তৎপর পদ্মশিবির? যদিও কী কথা হয়ে তাঁদের, তা নিয়ে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে সেই রাত থেকেই জল্পনা মাথাচাড়া দেয় হয়তো কোচবিহারে মোদির সভামঞ্চে দেখা যাবে তাঁকে। জল্পনা সত্যি করে মোদির সভামঞ্চে অনন্ত মহারাজ।
কোচবিহারে নরেন্দ্র মোদির সভায় অনন্ত মহারাজ। ৫ এপ্রিল, ২০২৬। নিজস্ব চিত্র
সাম্প্রতিক সময়ে বারবার অনন্ত মহারাজের 'বিদ্রোহী' মনোভাব সমস্যার মুখে ফেলেছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এসআইআর প্রসঙ্গে অনন্ত মহারাজের বক্তব্যেও অস্বস্তি বেড়েছিল পদ্মশিবিরের। আবার বিজেপির সঙ্গে মতবিরোধের মাঝে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে কলকাতায় দাঁড়িয়ে বঙ্গভূষণ সম্মান গ্রহণ, যেন বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালার মতো। স্বাভাবিকভাবেই তাতে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে তৃণমূলের 'ঘনিষ্ঠতার তত্ত্ব'ও সামনে আসে। এই পরিস্থিতিতে খোদ মোদির সভায় অনন্ত মহারাজ এবং বংশীবদন বর্মনের উপস্থিতি যে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
