রানাঘাটে ভোটের প্রশিক্ষণ নিতে যাওয়া শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। নিজামউদ্দিন সর্দার ও মানস বন্দ্যোপাধ্যায় নামে দুই আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত নিজামউদ্দিন হাঁসখালি সমষ্টি উন্নয়ন অফিসের পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্মী। অপরদিকে অভিযুক্ত মানস ওসি ইলেকশন পদে ব্লক অফিসে কর্মরত। এদিকে, হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকেও শোকজ করেন জেলাশাসক। তিনি বলেন, "প্রশিক্ষণকেন্দ্রে দায়িত্বরত বিডিওর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন তাঁর উপস্থিতিতে এই পরিস্থিতি তৈরি হল কীভাবে, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।"
আক্রান্ত আধিকারিকের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার দুই আধিকারিক। হাঁসখালি ব্লকের বিডিও সায়ন্তন ভট্টাচার্যকে শোকজ করেন জেলাশাসক। তিনি বলেন, "প্রশিক্ষণকেন্দ্রে দায়িত্বরত বিডিওর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন তাঁর উপস্থিতিতে এই পরিস্থিতি তৈরি হল কীভাবে, তার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।"
গত শুক্রবার নদিয়ার রানাঘাট দেবনাথ স্কুলে ভোটের প্রশিক্ষণ শিবিরে গিয়েছিলেন সৈকত দাস নামে এক সরকারি কর্মী। তাঁর অভিযোগ, প্রশিক্ষণ শিবিরে জায়ান্ট স্ক্রিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারের ভিডিও চলছিল। তা দেখে তিনি প্রথমে প্রতিবাদ করেন। তাঁর পাশে দাঁড়ান অন্য ভোটকর্মীরাও। অভিযোগ, তাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। স্থানীয় বিডিও অফিসের কিছু কর্মচারী তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। খুনের হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে যান মহকুমাশাসক। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে।
আক্রান্ত ভোটকর্মীর দাবি, তিনি এই বিষয়টি বিডিওকে জানিয়েছিলেন কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। সৈকতবাবু জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানাবেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। বিডিও তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তুলে সরব হন রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। এদিকে, আক্রান্ত শিক্ষকের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। আক্রান্ত শিক্ষক সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে দুই আধিকারিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিক্ষক সংগঠনগুলি ভোটকর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
