গেরুয়াশিবিরে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। বেহালা পশ্চিমে বহিরাগত প্রার্থীর অভিযোগে দলেই দানা বাধছিল ক্ষোভ। বেহালা পশ্চিমে বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ। যাঁর নাম প্রকাশের পরই মন ভেঙেছে গেরুয়াশিবিরের অনেকের! বাড়ছিল ক্ষোভ। বেহালার অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছিল কানাঘুষো। এবার সেই ক্ষোভই চলে এল প্রকাশ্যে। ইন্দ্রনীল খাঁ-কে কার্যত চ্যালেঞ্জ করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন দক্ষিণ কলকাতায় বিজেপির মিডিয়া কো-কনভেনর স্বপন দাস।
বেহালায় বাড়ি বাড়ি প্রচার নির্দল প্রার্থী স্বপন দাসের।
ইন্দ্রনীল খাঁয়ের বিরুদ্ধে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়েই স্বপন দাসের দাবি, "বেহালার মানুষ চেনেনই না ইন্দ্রনীল খাঁকে। গতবছর কসবার প্রার্থী হিসেবে হারের পর তাঁকে পুনর্বাসন দিতে এবার বেহালা পশ্চিমে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।" কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরেই স্বপন দাসের দাবি, "জেতার জন্য ময়দানে নেমেছি। বিজেপি সমর্থন করলে সুবিধা তাঁদের।"
ইন্দ্রনীল খাঁয়ের বিরুদ্ধে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়েই স্বপন দাসের দাবি, "বেহালার মানুষ চেনেনই না ইন্দ্রনীল খাঁকে। গতবছর কসবার প্রার্থী হিসেবে হারের পর তাঁকে পুনর্বাসন দিতে এবার বেহালা পশ্চিমে দাঁড় করিয়েছে বিজেপি।" কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরেই স্বপন দাসের দাবি, "জেতার জন্য ময়দানে নেমেছি। বিজেপি সমর্থন করলে সুবিধা তাঁদের।" তাহলে কি ইন্দ্রনীল খাঁ বেহালা পশ্চিমের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করুক আপনাটাই চাইছেন নির্দলে প্রার্থী হওয়া পদ্ম সমর্থক? জবাবে তেমনই ইচ্ছাপ্রকাশ করেন স্বপন দাস। নিজেকে 'ঘরের ছেলে' বলে তাঁর দাবি, "আমাকে সমর্থন করলে আখেড়ে লাভ বিজেপিরই।"
বেহালা পশ্চিমের নির্দল প্রার্থী দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি কো-কনভেনর স্বপন দাস।
মূলত বেহালা পশ্চিমের ১২ ওয়ার্ডের প্রায় প্রত্যেকটিতেই কমবেশি জল জমার সমস্যা রয়েছেই। সামান্য বৃষ্টিতেই অলিগলি ডুবে যায়। সেখানে বর্ষার সময় তো মরার উপর খাঁড়ার ঘা। বিধায়কশূন্য বেহালা পশ্চিমে ওয়ার্ডভিত্তিক জলের সমস্যাও প্রবল। যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েই লড়াইয়ের ময়দানে সবপক্ষ। প্রসঙ্গত, বেহালা পশ্চিমে বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায় এখন ঘাসফুলশিবিরে ক্লোজড চ্যাপ্টার। সেখানে এবার বেহালা পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। সেই কেন্দ্রেই লড়াইয়ের আগেই পদ্মের কাঁটা গোষ্ঠীকোন্দল। নির্দলের চ্যালেঞ্জের মুখে তাহলে কি খড়কুটোর মতো উড়ে যাবে বিজেপির বহিরাগতরা?
