বাংলার ভোট (West Bengal Assembly Election) রক্তপাতহীন এবং শান্তিপূর্ণ করতে জান কবুল করে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন! বহু আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা-সহ একাধিক বিধিনিষেধ জারি হয়েছে। এমনকী ভোটের আগের রাতেও জেলার নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের নিয়ে ভারচুয়াল বৈঠক করেছেন এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল (Manoj Agarwal)। আর প্রথম দফা ভোটের দিন পরিস্থিতি জানতে তাঁকে ফোন করলেন মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বার দুই দু'জনের মধ্যে ফোনে কথা হয়। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) জানতে চেয়েছেন ভোট কেমন চলছে? কোনও অশান্তি হচ্ছে না তো? মনোজ আগরওয়ালও তাঁকে পরিস্থিতির খুঁটিনাটি জানিয়েছেন বলে খবর। আজ ভোটপর্ব মিটে গেলে রাতে অথবা শুক্রবার সকালে ভারচুয়াল বৈঠক হবে মনোজ আগরওয়াল ও জ্ঞানেশ কুমারের।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অন্তত দু'বার রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালকে ফোন করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। জানতে চান, ভোটে অশান্তি হচ্ছে কিনা, কোথা থেকে কত অভিযোগ জমা পড়ছে। তাতে মনোজ আগরওয়াল রীতিমতো তথ্য দিয়ে জানান, প্রায় ৪৫ হাজার বুথে ভোট চলছে। তার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ টি অভিযোগ গুরুতর। কমিশন তার সমাধানও করেছে। এছাড়া বহু ভুয়ো অভিযোগ জমা পড়েছে।
একুশের তুলনায় ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের (West Bengal Assembly Election) প্রথম দফা মোটের উপর শান্তিপূর্ণই বলা চলে। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূমে বিক্ষিপ্ত অশান্তি ছাড়া সর্বত্র প্রায় নির্বিঘ্নে ভোট হয়েছে। এতে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষপ্রকাশ করেছে রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে সকলে। আর সকাল থেকে পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশনও। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অন্তত দু'বার রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়ালকে ফোন করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। জানতে চান, ভোটে অশান্তি হচ্ছে কিনা, কোথা থেকে কত অভিযোগ জমা পড়ছে। তাতে মনোজ আগরওয়াল রীতিমতো তথ্য দিয়ে জানান, প্রায় ৪৫ হাজার বুথে ভোট চলছে। তার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ টি অভিযোগ গুরুতর। কমিশন তার সমাধানও করেছে। এছাড়া বহু ভুয়ো অভিযোগ জমা পড়েছে। মোটের উপর ভোট শান্তিপূর্ণই হচ্ছে।
এবারের ভোট নিয়ে অত্যন্ত সতর্ক কমিশন। কোথাও কোনও অভিযোগ পেলেই পদক্ষেপ করছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ভোট শুরু হওয়ার পর থেকে ৭ ঘণ্টায় ৭০০ অভিযোগ জমা পড়েছে। তবে মনোজ আগরওয়ালের দাবি, অভিযোগ পেয়ে কমিশনের কর্তারা সেখানে গিয়ে জানিয়েছেন, বিষয়টি অতি তুচ্ছ। নথিবদ্ধ করার মতো কিছু নয়। এমন ভুয়ো অভিযোগ এসেছে প্রচুর। তবে গুরুতর অভিযোগ এসেছে মোটামোটি ১৫ থেকে ২০ বুথ থেকে। তবে সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পারফরম্যান্সে খুশি নয় কমিশন। পরিস্থিতি সামলাতে আরও কড়া হওয়ার দাওয়াই দেওয়া হয়েছে।
