ছাব্বিশের নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ করাই লক্ষ্য কমিশনের। সে কারণে একাধিকবার নিরাপত্তা বৈঠক করেছে কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তা সত্ত্বেও ভাঙড়, রানাঘাট, বেলদা, বাসন্তীতে অশান্তি যেন এড়ানো যাচ্ছে না। তবে কি শান্তিপূর্ণ ভোটাভুটি সম্ভবপর নয়, স্বাভাবিকভাবে উঠছে সে প্রশ্ন। যদিও সব ঠিক হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।
মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, "রানাঘাটের ঘটনায় রিপোর্ট এসেছে। আমরা কড়া পদক্ষেপ করতে বলেছি। এফআইআর করতে বলেছি। ডিজি রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। ২ জন অভিযুক্ত রয়েছে। ভাঙড়, বেলদা সব শান্ত হয়ে যাবে।"
শুক্রবার ভোট অবজার্ভারদের সঙ্গে বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকেই ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেই বৈঠক সেরে বেরিয়ে মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, "অবজার্ভারদের সঙ্গে বৈঠক ছিল। আমি উপস্থিত ছিলাম। যা বলার বলা হয়েছে।" অশান্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "রানাঘাটের ঘটনায় রিপোর্ট এসেছে। আমরা কড়া পদক্ষেপ করতে বলেছি। এফআইআর করতে বলেছি। ডিজি রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। ২ জন অভিযুক্ত রয়েছে। ভাঙড়, বেলদা সব শান্ত হয়ে যাবে।"
উল্লেখ্য, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই বাংলায় আসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। প্রথম দফায় রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। শাসক-বিরোধী-সহ রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। কমিশনের মতে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামূলক সন্তোষজনক। এই পরিস্থিতিতে জ্ঞানেশের বার্তা, “পশ্চিমবঙ্গে অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হবে। কোনও উসকানি বরদাস্ত নয়।” এর আগে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনও মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। ছাব্বিশের নির্বাচন রক্তক্ষয়ী হয় নাকি শান্তিপূর্ণ, সেদিকে আপাতত নজর সকলের।
