shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

ভাঙা বেঞ্চ, অকেজো ফ্যান, নষ্ট জলের পাম্প! বোলপুরের একাধিক স্কুলে পরিকাঠামো নষ্ট বাহিনীর

পরিকাঠামো নষ্ট, নোংরা পরিবেশ। ভোট মিটতেই বোলপুর মহকুমার বিভিন্ন স্কুলে সামনে এল দুরবস্থা। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার পরই ক্ষয়ক্ষতি, সমস্যায় পড়ুয়া ও স্কুল কর্তৃপক্ষ। সাবমার্সিবল থেকে বেঞ্চ-ক্ষতির চিত্রে উদ্বিগ্ন শিক্ষক-অভিভাবকরা। ভোট শেষে স্কুলে স্কুলে ক্ষয়ক্ষতির ছবি। ক্লাস শুরুতে অনিশ্চয়তা। প্রশাসনের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি, দ্রুত মেরামতির আর্জি স্কুল কর্তৃপক্ষের।
Published By: Suhrid DasPosted: 04:09 PM Apr 26, 2026Updated: 05:06 PM Apr 26, 2026

পরিকাঠামো নষ্ট, নোংরা পরিবেশ। ভোট মিটতেই বোলপুর মহকুমার বিভিন্ন স্কুলে সামনে এল দুরবস্থা। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার পরই ক্ষয়ক্ষতি, সমস্যায় পড়ুয়া ও স্কুল কর্তৃপক্ষ। সাবমার্সিবল থেকে বেঞ্চ-ক্ষতির চিত্রে উদ্বিগ্ন শিক্ষক-অভিভাবকরা। ভোট শেষে স্কুলে স্কুলে ক্ষয়ক্ষতির ছবি। ক্লাস শুরুতে অনিশ্চয়তা। প্রশাসনের কাছে ক্ষতিপূরণের দাবি, দ্রুত মেরামতির আর্জি স্কুল কর্তৃপক্ষের। একপ্রকার বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই বোলপুর মহকুমা জুড়েই একাধিক বিদ্যালয়ে পরিকাঠামো নষ্টের অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর থাকার পর স্কুলগুলির বিভিন্ন সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। এর জেরে বহু বিদ্যালয়ে এখনও পঠনপাঠন স্বাভাবিকভাবে শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।

Advertisement

কেন্দ্র বাহিনীর অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বিভিন্ন স্কুলের ক্লাসরুমে। তবে ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর বাহিনী চলে যেতেই সামনে আসে উদ্বেগজনক ছবি। সিয়ান ইউসুফ হাই স্কুলে দু'টি সাবমার্সিবল পাম্প এবং একাধিক ট্যাপকল বিকল। পারুলডাঙা শিক্ষানিকেতনে বেঞ্চ ভাঙা, ফ্যান অকেজো হওয়ার পাশাপাশি সাবমার্সিবল পাম্প নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, শ্রীনন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে বেঞ্চ ভাঙার পাশাপাশি স্কুল প্রাঙ্গণে যত্রতত্র আবর্জনা ছড়িয়ে থাকার ঘটনাও সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, বহু স্কুলেই বেঞ্চ-ডেস্ক ভাঙা অবস্থায় পড়ে রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা। কোথাও পানীয় জলের ব্যবস্থাও অকেজো হয়ে পড়েছে। 

ক্লাসরুমে ভাঙা টেবিল। নিজস্ব চিত্র

পাশাপাশি স্কুল চত্বর ও শ্রেণিকক্ষে প্লাস্টিক, খাবারের উচ্ছিষ্ট-সহ বিভিন্ন বর্জ্য ছড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। শুধু বোলপুর নয়, নানুর ও লাভপুর এলাকার একাধিক বিদ্যালয় থেকেও একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে। এবিষয়ে পারলডাঙা শিক্ষানিকেতনের প্রধান শিক্ষক প্রশান্ত দাস বলেন, "আগেই প্রশাসনকে অনুরোধ জানানো হয়েছিল স্কুলের বেঞ্চ, টেবিল, আলো ও পানীয় জলের ব্যবস্থা অক্ষত থাকে। কিন্তু ভোটের পর স্কুলে এসে দেখলাম একাধিক জিনিস ভাঙা। এই ক্ষতি কীভাবে সামলাব, তা বুঝে উঠতে পারছি না।" একাধিক শিক্ষক আক্ষেপের সুরে বলছেন, "শুধু স্কুলের সামগ্রী নষ্ট নয়, স্কুলের পরিবেশও সম্পূর্ণ নোংরা করে রাখা হয়েছে। এই অবস্থায় ক্লাস নেওয়া কার্যত অসম্ভব।"

স্কুলের পড়ুয়ার অভিভাবক শ্যামল দাস এবং রিন্টু সাহা বলেন "গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ নির্বাচন। কিন্তু সেজন্য যদি স্কুলের এমন ক্ষতি হয়, তাহলে তার দায় কে নেবে? আমরা স্কুল কবে স্বাভাবিক হবে তা নিয়েই চিন্তিত।” এ প্রসঙ্গে বোলপুরের মহকুমা শাসক অনিমেষকান্তি মান্না বলেন, "বিষয়টি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement