ভোটের মুখে আরও জমজমাট জঙ্গলমহলের নির্বাচনী লড়াই। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার কৌশল নিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের টিকিট না পেয়ে সদ্যই তৃণমূল ছেড়ে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক দল জেএলকেএমের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন জয়পুর রাজপরিবারের সদস্য দিব্যজ্যোতি সিং দেও। এবার তার পালটায় জেএলকেএমের জেলা সভাপতি (পশ্চিমাঞ্চল) গোপাল মাহাতোকে দলে টানল তৃণমূল। সোমবার বাঘমুণ্ডিতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় হাতে পতাকা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দিলেন তিনি। এই যোগদান তৃণমূলের পালটা কৌশল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একটা বড় অংশ।
গোপাল মাহাতো আগে আদিবাসী কুড়মি সমাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সংগঠন ভেঙে যাওয়ায় এখন তিনি ছোটনাগপুর আদিবাসী কুড়মি সমাজের সদস্য এবং জেএলকেএমের পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সভাপতি। শোনা গিয়েছে, বাঘমুণ্ডি আসন থেকে গোপালের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হতে পারেননি। সম্ভবত সেই কারণে অভিমানবশত দলবদল এবং তৃণমূলে যোগদান।
আসনে প্রার্থী দিয়েছে তারা। সদ্যই জয়পুর আসনের প্রার্থী হিসেবে রাজপরিবারের সদস্য দিব্যজ্যোতি সিং দেওর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি আবার তৃণমূল থেকে টিকিট না পেয়ে অভিমানে জেএলকেএমে যোগ দেওয়ার পরই প্রার্থী হন। এর পালটা চাল দিতে চলেছে তৃণমূল। সোমবার বাঘমুণ্ডির ইচাগের কেন্দুয়াডি ১০৮ কুঞ্জ ময়দান, ঝালদা ১ ব্লকে দলীয় প্রার্থী সুশান্ত মাহাতোর সমর্থনে সভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মঞ্চেই তৃণমূলে যোগদান করলেন ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চার জেলা সভাপতি (পশ্চিমাঞ্চল) গোপাল মাহাতো।
জানা যাচ্ছে, গোপাল মাহাতো আগে আদিবাসী কুড়মি সমাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সংগঠন ভেঙে যাওয়ায় এখন তিনি ছোটনাগপুর আদিবাসী কুড়মি সমাজের সদস্য এবং জেএলকেএমের পশ্চিমাঞ্চলের জেলা সভাপতি। শোনা গিয়েছে, বাঘমুণ্ডি আসন থেকে গোপালের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হতে পারেননি। সম্ভবত সেই কারণে অভিমানবশত দলবদল এবং তৃণমূলে যোগদান। এনিয়ে মুখে কুলুপ আঁটলেও গোপাল মাহাতোর বক্তব্য, ''ঝাড়খণ্ডের একটি রাজনৈতিক দল পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন বিস্তার করতে চলেছে। কিন্তু এর জন্য যা যা প্রয়োজন, সেসব পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে। তাই দল নিজেদের অনুগামীদের ধরে রাখতে পারছে না।'' এখন দেখার, গোপাল মাহাতোকে দলে টেনে তৃণমূল জঙ্গলমহলে কতটা সুফল তুলতে পারে।
