বাংলায় শান্তিপূর্ণ ভোট করাই লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের। সে কারণে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলায় নাকি জম্মু-কাশ্মীর থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়েছে। কারও কারও দাবি, সেই গাড়ি নাকি ভবানীপুরে রুট মার্চও করেছে। এই প্রসঙ্গে বুধবার মুখ খুললেন সিইও মনোজ আগরওয়াল।
বাংলায় জম্মু-কাশ্মীরের বুলেটপ্রুফ গাড়ির কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি সাফ জানান, "এই ধরনের কোনও বিষয় আমার অন্তত জানা নেই।" তিনি আরও বলেন, "প্রত্যেকটি বাহিনীর পদক্ষেপ করার একটি পদ্ধতি রয়েছে। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাব।" সূত্রের খবর, খাকি রঙের ওই গাড়িটি মূলত আধা সামরিক বাহিনী বা সিআরপিএফ ব্যবহার করে। গাড়ির ভিতরে আটজন কমান্ডো থাকতে পারেন। যদিও সিইও বিষয়টি একেবারেই উড়িয়ে দিয়েছেন।
এদিকে, বুধবার ওয়েবকাস্টিং নিয়ে বৈঠক করা হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। এছাড়া মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব-সহ পদস্থ পুলিশকর্তারা। জানান, রাজ্যে ৬৪২টি শ্যাডো জোন রয়েছে। রাজ্যে তার মধ্যে ২৬২টি ঠিক করা গিয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, ফরাক্কা, আলিপুরে সব থেকে বেশি শ্যাডো জোন রয়েছে। এই সমস্ত জায়গাগুলিতে ক্যামেরার মধ্যে সিম থাকবে। ফলে মনিটরিংয়ে কোন অসুবিধা হবে না।
ইসিআই হেড কোয়ার্টার, ডিও অফিসে স্ক্রিন লাগানো থাকবে। যেখানে সার্বিক নির্বাচনী চিত্র মনিটর করতে পারবেন আধিকারিকরা। প্রত্যেকের জন্য থাকবে একটি নির্দিষ্ট স্ক্রিন। ১৫ থেকে ২০ জন আইপিএসকে শুধুমাত্র মনিটারিংয়ের কাজেই ব্যবহার করা হবে। এছাড়া এবারে নির্বাচনে এআইয়ের বিশেষ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজে ব্যবহার করা হবে ওয়েবকাস্টিং সফটওয়্যার। কোনও ভোটকেন্দ্রে চারজনের বেশি ভোটার থাকলে তা আধিকারিকদের নজরে এনে দেবে। এছাড়াও ইভিএমের কাছে একজনের বেশি থাকলে সেই বিষয়টিও জানান দেবে।
পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেই জানান সিইও। বলেন, "যদি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তাহলে সাসপেন্ড করা হবে। এমনকি প্রমাণ মিললে চাকরি থেকে অব্যাহতিও দেওয়া হতে পারে।"
