shono
Advertisement
West Bengal Assembly Election

বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে 'বাধা', তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পালটা কী জবাব শাসকের?

ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা। বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ফলতার ভাদুরা মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা। বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে পালটা 'সস্তার প্রচার' মন্তব্য তৃণমূল প্রার্থীর।
Published By: Arpita MondalPosted: 06:09 PM Apr 15, 2026Updated: 07:03 PM Apr 15, 2026

আগামী সপ্তাহেই বাংলায় প্রথম দফার ভোট (West Bengal Assembly Election)। হাতে বাকি আর মাত্র কটা দিন। এই আবহে নির্বাচনী প্রচার ঘিরে ফের উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা।বিজেপির প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তুমুল উত্তেজনা। ভাদুরা মোড় এলাকায় মুখোমুখি বিজেপি-তৃণমূল। দু'পক্ষের বচসায় উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। পুলিশের সামনেই বিজেপি-তৃণমূল বাকবিতণ্ডা।

Advertisement

বিজেপি সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত প্রচারের জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমতি পেয়েছিলেন ফলতার (Falta) বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা। সেই অনুযায়ী বুধবার সকাল ৮ টা নাগাদ ফলতা বিধানসভার ভাদুরা এলাকায় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডা। বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে ফলতার ভাদুরা মোড় এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা। বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে পালটা 'সস্তার প্রচার' মন্তব্য তৃণমূল প্রার্থীর। অভিযোগ, সেই সময় হঠাৎই কয়েকজন তৃণমূল কর্মী-সমর্থক সেখানে উপস্থিত হয়ে বিজেপির প্রচারে বাধা দেয়। প্রথমে বচসা শুরু হয়, তারপরেই বাকবিতণ্ডা ব্যাপক আকার নেয়। বিজেপি প্রার্থীর গায়ে হাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুহূর্তের মধ্যে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফলতা থানার পুলিশ।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার দাবি, "আমরা নির্বাচন কমিশনের সমস্ত নিয়ম মেনেই প্রচারে নেমেছিলাম। অনুমতি নিয়েই ভাদুরা এলাকায় গিয়েছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করেই আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। এমনকি পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।" বিষয়টি কমিশনে জানানোর হুঁশিয়ারি বিজেপির। ফলতার তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক জাহাঙ্গির খান বলেন, "এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তৃণমূল কখনও এই ধরনের নোংরা রাজনীতি করে না। বিজেপি নিজেরাই নাটক করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে।"

এই ঘটনার পর এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে এই সংঘাত কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement