কথায় বলে, যেমন কর্ম তেমন ফল! অর্থাৎ ভালো কর্ম করলে আপনার সঙ্গে ভালোই হবে, আর খারাপ করলে খারাপ। তবে জীবনে চলার পথে এমন অনেক ঘটনার সম্মুখীন সকলকে হতে হয় যার কারণ বুঝে উঠতে পারেন না কেউ। সকলের মনেই প্রশ্ন ওঠে, কী এমন অপরাধ করলাম যে এত শাস্তি পেতে হচ্ছে? কিন্তু উত্তর মেলে না। জানেন কি এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পূর্বজন্মের পাপ? জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, কর্মফলের জেরেই সমস্যায় জেরবার হয়ে যায় জীবন। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক, পূর্বজন্মের কোন পাপে এজন্মে কোন ফল ভোগ করতে হয়।
১. অনেকের জন্ম ছকেই দেখা যায় শুক্র দুর্বল। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক মোটেই ভালো হয় না। কিন্তু কেন শুক্র দুর্বল হয়? জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে, কেউ যদি পূর্বজন্মে স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে দূর্বব্যবহার করেন, তাহলে এজন্মে তার ফল ভুগতে হয়। ডিভোর্সের সম্ভাবনা থাকে প্রবল।
২. দেখা যায় অনেক দম্পতিই বহু চেষ্টা করেও বাবা-মা হতে পারেন না। কারও আবার খুব অল্প বয়সে মায়ের মৃত্যু হয়। বলা হয়, জন্মছকে চাঁদের অবস্থান খারাপ হলে এমনটা হয়। কিন্তু কেন চাঁদের অবস্থান খারাপ হয়? বলা হয়, আগের জন্মে যাঁরা মা বা মাতৃসম কারও সঙ্গে চরম দূর্ব্যবহার করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ধরণের ঘটনা ঘটে।
৩. বাবা মানে সকলের কাছেই বটগাছ। অনেকেই খুব ছেলেবেলায় বাবাকে হারায়। এর নেপথ্যেও নাকি পূর্বজন্মের পাপ। বলা হয়, আগের জন্মে নিজের বাবা অথবা পিতৃসম কারও সঙ্গে অন্যায় করলে এজন্মে তার ফল ভোগ করতে হয়। অতি অল্প বয়সে পিতৃবিয়োগ নাকি এই কর্মফলই।
৪. সাপে কামড়ের ঘটনা গ্রামেগঞ্জে প্রায়ই ঘটে। জ্যোতিষশাস্ত্র বলে, পূর্বজন্মে যদি কেউ সাপের উপর অত্যাচার করে থাকে সেক্ষেত্রে এজন্মে সাপের কামড় খেতে হয় তাঁকে।
অর্থাৎ জীবনের সবটাই কর্মফল। তাই অন্যায় করে রেহাই পেয়ে যাবেন, এই ভুল ধারণা রাখবেন না। ভালো কাজ করুন, আজ-কাল-পরশু, সবটাই ভরে উঠবে আনন্দে।
