shono
Advertisement

বিনা ট্রায়ালে এশিয়াডে সুযোগ, বিতর্কের মধ্যে মুখ খুললেন ভিনেশ, বজরংরা

ট্রায়াল দিতে কি রাজি ভিনেশ, বজরংরা?
Posted: 02:46 PM Jul 25, 2023Updated: 02:46 PM Jul 25, 2023

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৫৩ কেজি বিভাগে ভিনেশ ফোগাট (Vinesh Phogat) ও ৬৫ কেজি বিভাগে বজরং পুনিয়া, দেশের অন্যতম সেরা দুই কুস্তিগিরকে বিনা ট্রায়ালে এশিয়ান গেমসে খেলার সুযোগ দিয়েছে ভারতের অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাড-হক কমিটি। আর তাই নিয়ে যত বিতর্ক। দুই উদীয়মান প্রতিভা অন্তিম পাঙ্ঘাল এবং সুজিৎ কালকাল বলছেন, এইভাবে কাউকে সরাসরি এশিয়ান গেমসে খেলার সুযোগ দেওয়া ঠিক না। এটা আসলে দীর্ঘদিন ধরে অনুশীলন করা কুস্তিগিরদের সঙ্গে প্রতারণা।

Advertisement

অন্তিম পাঙ্ঘাল আবার সোজা ভিনেশ ফোগাটকে প্রতারক বলে দেগে দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠুকে দেন। প্রথমে তিনি মামলা করেছিলেন দিল্লি হাই কোর্টে। সেখানে সুবিধা না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই তরুণী কুস্তিগির। সব মিলিয়ে এশিয়াডের আগে নয়া বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে ভারতীয় কুস্তি।

[আরও পড়ুন: INDIA জোটকে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সঙ্গে তুলনা! মোদির মন্তব্যে তুঙ্গে বিতর্ক]

এই বিতর্ক নিয়েই এবার মুখ খুললেন ভিনেশ ফোগাট, বজরং পুনিয়ারা। ভিনেশ বললেন,”আমরা ট্রায়ালের বিরোধী নই। এক্ষেত্রে অন্তিমকে দোষ দেওয়া যায় না। ও ওর অধিকারের জন্য লড়ছে। কিন্তু আমরাও আমাদের অধিকারের জন্য লড়ছি। অন্তিম অনেক ছোট, ও এগুলো বুঝবে না। ও বলছে আমি নাকি প্রতারণা করেছি। তাহলে কমনওয়েলথের সময় কী হয়েছিল? যদি সত্যি কেউ প্রতারণা করে থাকে, তাহলে সেটা ব্রিজভূষণ। আমার কাজ কুস্তি করা, আর আমি সেটাই করছি।” তবে একই সঙ্গে উদীয়মান কুস্তিগিরের প্রশংসাও শোনা গিয়েছে ভিনেশের মুখে। তিনি বলেছেন, “এভাবে প্রশ্ন ওঠাটা কষ্টের। কিন্তু ভাল লাগছে যে অল্প বয়সী কুস্তিগিররা নিজেদের অধিকারের কথা বলতে শিখছে।”

[আরও পড়ুন: রিলস বানাতে গিয়ে মর্মান্তিক পরিণতি! ঝরনার জলের তোড়ে ভেসে গেলেন যুবক, প্রকাশ্যে ভিডিও]

ভিনেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন বজরং পুনিয়াও (Bajrang Punia)। তিনি বলেছেন,’অন্তিম তুমি বলছিলে দেশে ৩-৪ জন কুস্তিগির ভিনেশকে হারাতে পারে। কিন্তু সত্যিটা হল ভিনেশ এখনও হারেনি আর হারবেও না। আমরা ট্রায়ালকে ভয় পাই না। ২০ বছর কুস্তিকে দিয়েছি। কিন্তু আমরা অনুশীলন করতে পারিনি। ধরনাস্থলে ছিলাম। কেরিয়ারের মধ্যগগণে এসে আমরা সবকিছু বাজি রাখার সাহস দেখিয়েছি।’ বজরং বলছেন, “কুস্তিগিররা যে পরিশ্রমটা ট্রায়ালের জন্য দিয়েছে সেটা ধরনায় দিলে ব্রিজভূষণ এতদিন জেলের বাইরে থাকত না। আমরা সবাই কুস্তিটা করতে পারতাম।” বজরং এবং ভিনেশ দু’জনেই জানিয়েছেন, “কুস্তিকে ভয় পাই না। শুধু কিছুটা সময় চাই অনুশীলনের। তাহলেই আমরা ট্রায়াল দিতে রাজি।”

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement