স্টাফ রিপোর্টার: “এই মুহূর্তে মোহনবাগান খুব ভাল খেলছে। ঠিক ততটাই আমরা বাজে খেলছি। নাহলে জর্জের কাছে এভাবে তিন গোলে হারি। তবে মোহনবাগানকে আটকাতে গেলে হেনরি-ডিকাকে নজরে রাখতেই হবে। এই দু’জনকে তাই আটকানোর চেষ্টা করব।” একটানা কথাগুলো বলে গেলেন রাজদীপ নন্দী। এরিয়ান কোচ ভালমতো জানেন, আজ কল্যাণীতে মোহনবাগানকে রোখা সহজ কথা নয়। এমনিতেই ভাল পারফর্ম করছেন ডিকারা। দ্বিতীয়ত বড় মাঠ। কল্যাণী স্টেডিয়ামের মাঠ হল সর্বোচ্চ প্রমাণ সাইজের। সেই মাঠে বড় ক্লাবগুলোর খেলা যতটা সহজ ঠিক ততটাই কঠিন ছোট দলগুলোর। তার ওপর এরিয়ান ভয় পাচ্ছে রেফারিকে। যেহেতু ইস্টবেঙ্গল-রেনবো ম্যাচে নির্লজ্জের মতো পেনাল্টি উপহার দিয়েছেন রেফারি। সেই পেনাল্টির দৌলতে জিতে যায় ইস্টবেঙ্গল। “ছোট দলগুলো এমনিতেই লড়াই চালায়। তার ওপর রেফারি যদি বাজে সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমরা বাঁচব কী করে? তাই রেফারি একটা ফ্যাক্টর হয়ে যাচ্ছে ছোট দলগুলোর কাছে।” বলছিলেন এরিয়ান কোচ।
[বন্যাদুর্গত কেরলের পাশে মোহনবাগান ফুটবলাররা, তৈরি হচ্ছে নতুন ফান্ড]
মোহনবাগান অবশ্য এসব নিয়ে বিশেষ ভাবতে নারাজ। তাদের সামনে এখন একটাই লক্ষ্য, ডার্বির আগে তিন পয়েন্ট নিয়ে মনোবল অটুট রাখতে হবে। এখনও পর্যন্ত দুই প্রধানের পয়েন্ট এক। গোল পার্থক্যও সমান। তাই মোহনবাগান চাইছে, এরিয়ানকে হারিয়ে যেভাবেই হোক ডার্বির আগে মানসিকতায় এগিয়ে থাকতে। যদিও কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী বললেন, “আমরা আদৌ ডার্বি নিয়ে ভাবছি না। এখন আমাদের সামনে একটাই লক্ষ্য, এরিয়ানকে হারানো। তারপর আমরা ডার্বি নিয়ে ভাবতে বসব।” কিন্তু আদৌ কী ডার্বির ভাবনা মাথায় আসে না? প্রশ্নের জবাবে শংকরলাল বলেই ফেললেন, “ভাবনা যে মাথায় আসবে না তা একবারও বলব না। নিশ্চয় আসবে। কিন্তু ছেলেদের বলেছি কোনওমতে ডার্বির ভাবনা মাথাতেই আনবে না।” মোহনবাগান আর পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যাবে না। “আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনও জায়গা নেই। লিগের শুরুতে দু’তিনটে ম্যাচে অনেককে দেখার ছিল। তাই এখন আর দেখাদেখি নেই।” জানিয়ে দিলেন শংকরলাল।]
[বড় ম্যাচে বিশ্বকাপের ছোঁয়া, আকাশ থেকে নামবে ম্যাচ বল]
মোহনবাগান কোচ ভালমতো জানেন, তাঁর দলের দুই সম্পদ হেনরি-ডিকাকে আটকানোর চেষ্টা করবে এরিয়ান। তার বিকল্প পথ যে তাঁর তৈরি হয়ে আছে তাও জানিয়ে দিলেন শংকরলাল। অর্থাৎ মোহনবাগান প্রস্তুত।
The post ডার্বির আগে সতর্ক মোহনবাগান, এরিয়ান ম্যাচে জয়ই লক্ষ্য শংকরলালের appeared first on Sangbad Pratidin.
