সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia-Ukraine War ) আবহেই রহস্যময় অস্ত্রপরীক্ষা চিনের (China)। বেজিংয়ের নতুন ধরনের অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে আমেরিকা (US) ও পশ্চিমী দেশগুলি। গত ১৯ এপ্রিলের একটি ভিডি শেয়ার করেছে চিন সেনা। আর তাতেই দেখা গিয়েছে একটি অজানা রহস্যময় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করছে বেজিং।
কী এই নয়া অস্ত্র? মনে করা হচ্ছে রহস্যময় এই অস্ত্র আসলে নতুন ধরনের অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল। নাম YJ-21। যদি সত্য়িই তাই হয়, তাহলে চিনই হবে বিশ্বের প্রথম দেশ, যাদের ভাঁড়ারে এই শক্তিশালী মিসাইল থাকবে। জানা গিয়েছে, উওক্সি নামের এক রণতরী থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে।
[আরও পড়ুন: সামনে চতুর্থ ঢেউয়ের ভ্রুকুটি, তবু টিকা সংগ্রহ বন্ধ করল কেন্দ্র, কেন এমন সিদ্ধান্ত?]
কতটা শক্তিশালী এই মিসাইল? যদিও তা অনেকটাই অজানা, তবুও নানা সূত্রের দাবি, দেড় হাজার কিমি দূরের টার্গেটেও নিখুঁত ভাবে হানা দিতে পারে এই মিসাইল। তবে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের আবির্ভাব সেই অর্থে একেবারে অপ্রত্যাশিত নয়। ২০২০ সালেই আমেরিকার প্রতিরক্ষা বিভাগের তরফে জানানো হয়েছিল, চিন এই ধরনের ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করতে পারে। শেষ পর্যন্ত তাদের আশঙ্কাই সত্য়ি হল।
কয়েকদিন আগেই চিন-আমেরিকা সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ জনাথন ডি টি ওয়ার্ড দাবি করেছিলেন, মার্কিন আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি চিন (China)। বিশ্বে ক্ষমতার সমীকরণ বদলে দিতে এবার আমেরিকার সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিউনিস্ট দেশটি। আর এই পরিকল্পনা সফল করতে রাশিয়াকে পাশে চাইছে বেজিং। শুধু তাই নয়, পড়শি দেশগুলির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ে নামতে পারে তারা। সবচেয়ে আগে চিনের লক্ষ্যে রয়েছে তাইওয়ান দখল। শোনা যাচ্ছে, ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চিন ওই লক্ষ্যপূরণে আগ্রহী। পাশাপাশি দক্ষিণ-চিন সাগরের বহু দ্বীপেই নিজেদের কর্তৃত্ব কায়েমের জন্য চিন বদ্ধপরিকর।
