বাংলার পর এবার ডিম-থেরাপি লন্ডনেও! বাংলাদেশের জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির নেতা তথা সেখানকার সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে ডিম হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল ব্রিটেনে বসবাসকারী আওয়ামি লিগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। লন্ডন পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে খবর। এর মধ্যে রয়েছেন আওয়ামি লিগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফসার খান সাদেকও। আওয়ামি লিগের এহেন আক্রমণকে কাপুরুষোচিত বলে তীব্র নিন্দা করেছে এনসিপির ব্রিটেনের সংগঠন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লন্ডনে আওয়ামি লিগের সংগঠকরা দাবি করেছেন, এমন কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি ছিল না লিগের। ডিম হামলার ঘটনায় তাদের কেউ জড়িত নন।
সোমবার পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্তরাঁয় ব্রিটেনে এনসিপির শাখা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন হাসনাত আবদুল্লা ও তাঁর দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হক। তাঁরা অনুষ্ঠানে ঢোকার আগে একটি পার্কে হাঁটছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ে আওয়ামি লিগের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে এবং এহতেশামুলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রাণভয়ে স্থানীয় একটি হোটেলে আশ্রয় নেন তাঁরা। গোলমালের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ভিড় হঠানোর আগেই হাসনাতকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। ডিম এসে লাগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়েও।
জানা গিয়েছে, সোমবার পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্তরাঁয় ব্রিটেনে এনসিপির শাখা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন হাসনাত আবদুল্লা ও তাঁর দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হক। তাঁরা অনুষ্ঠানে ঢোকার আগে একটি পার্কে হাঁটছিলেন। অভিযোগ, সেই সময়ে আওয়ামি লিগের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে এবং এহতেশামুলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। প্রাণভয়ে স্থানীয় একটি হোটেলে আশ্রয় নেন তাঁরা। গোলমালের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ ভিড় হঠানোর আগেই হাসনাতকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। ডিম এসে লাগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশামুল হকের গায়েও।
পুলিশ তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে হাসনাত আবদুল্লা ও এহতেশামুল হককে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে। ভিড়ের মধ্যে থেকে ডিম ছোড়ার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়। এই ঘটনার জেরে অনুষ্ঠানে প্রায় তিনঘণ্টা দেরিতে যান বাংলাদেশের এনসিপির সংসদ সদস্য। তাঁর বক্তব্যও শুরু হয় দেরিতে। ঘটনা নিয়ে এনসিপির ব্রিটেনের সংগঠন আওয়ামি লিগকে কার্যত তুলোধোনা করেছে। তাদের অভিযোগ, হাসিনার দল এখনও ভয় দেখানো ও অসহিষ্ণুতার রাজনীতি চালিয়ে যাচ্ছে, যা নিন্দনীয়। যদিও আওয়ামি লিগ গোটা ঘটনা অস্বীকার করেছে।
