shono
Advertisement
Donald Trump

ইরানি ড্রোন সামলাতে ইউক্রেনের সাহায্যপ্রার্থী আমেরিকা? জেলেনস্কির দাবিতে মুখ খুললেন ট্রাম্প

সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় এক পোস্ট করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। ইরানের ড্রোন আটকাতে আমেরিকা তাঁদের কাছে সাহায্য চেয়েছিল।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:22 PM Mar 15, 2026Updated: 08:23 PM Mar 15, 2026

গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছে ইরানের মারণ ড্রোন শাহেদ। বিধ্বংসী এই ড্রোন সামাল দিতে ইউক্রেনের সাহায্য চেয়েছে আমেরিকা। ইউক্রেনের জেলেনস্কির এহেন দাবির পর এই ইস্যুতে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানালেন, 'আমাদের সাহায্যের প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি ব্যাঙ্গের সুরে বলেন, জেলেনস্কি হয়ত শেষ ব্যক্তি হবেন যার কাছে আমেরিকা সাহায্য চাইবে।'

Advertisement

সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় এক পোস্ট করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। ইরানের ড্রোন আটকাতে আমেরিকা তাঁদের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। কারণ শাহেদ ড্রোন ইরান ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি। গত ৪ বছর ধরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে চলা যুদ্ধে এই ধরনের রাশিয়ান ড্রোন সামলানোর বিশেষ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে তারা। ইউক্রেনের আরও দাবি, আমেরিকার পাশাপাশি আরও একাধিক দেশ এই ড্রোন মোকাবিলায় তাঁদের সাহায্য চেয়েছে। এমনকী দেশগুলিতে ইউক্রেনের বিশেষ ড্রোন বিশেষজ্ঞদেরও পাঠানো হয়েছে।

ইউক্রেনের এহেন দাবির প্রেক্ষিতে এবার মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা ড্রোন সিস্টেম রয়েছে।" এরপরই ব্যাঙ্গের সুরে তিনি বলেন, জেলেনস্কিই হবেন শেষ ব্যক্তি যার কাছে আমেরিকা সাহায্য চাইবে।" অর্থাৎ ইউক্রেনের দাবির পালটা ট্রাম্প কার্যত বুঝিয়ে দিলেন, আমেরিকার এমন দুর্দিন আসেনি যে ইউক্রেনের সাহায্য চাইতে হবে তাঁদের।

ট্রাম্প বলেন, "আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। আমাদের কাছে বিশ্বের সেরা ড্রোন সিস্টেম রয়েছে।"

তবে জেলেনস্কির দাবি হেলায় উড়িয়ে দিলেও ইরান যুদ্ধে বেশ চাপে আমেরিকা। যুদ্ধের জেরে তৈল ধমনী হরমুজে মিসাইল তাক করে রেখেছে ইরান। হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, এক লিটার তেলও পশ্চিম এশিয়ার বাইরে যাবে না। এই ঘটনায় গোটা বিশ্বের তেল সরবরাহ ধাক্কা খাওয়ার পাশাপাশি হু হু করে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। গোটা পরিস্থিতিতে প্রবল চাপের মুখে আমেরিকা মিত্র শক্তির কাছে আবেদন জানিয়েছে হরমুজকে মুক্ত করতে জাহাজ পাঠানোর জন্য। ট্রাম্প বলেন, ‘আশা করি চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন যারা হরমুজ বন্ধের জেরে প্রভাবিত তারা ওই অঞ্চলে জাহাজ পাঠাবে। ওদের (ইরান) মাথা আমরা ইতিমধ্যেই কেটে ফেলেছি, তারপরও যাতে কোনও হামলার ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই পদক্ষেপ করা উচিত।’

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement