ইরান যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে গোটা বিশ্ব। তার মাঝেই প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, মার্কিন সোনাবাহিনীর গোপন তথ্য চলে যাচ্ছে ইরানের হাতে! এর নেপথ্যে রয়েছে খোদ সেনাবাহিনীরই কয়েকজন শীর্ষ আধিকারিক। সেই ‘বিশ্বাসঘাতক’দের চিহ্নিত করতে এবার বড় পদক্ষেপ করল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরকার।
এক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ সংক্রান্ত বিভিন্ন স্পর্শকাতর তথ্য নিমেষেই পৌঁছে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের হাতে। এরপর সেগুলি চলে যাচ্ছে ইরানের কানে। সেই সমস্ত তথ্যের মধ্যে রয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনীর খুঁটিনাটি বিষয়, যুদ্ধের কৌশল, অস্ত্রের ঘাটতি ইত্যাদি। কিন্তু কারা এর নেপথ্যে কারা রয়েছে? তা খুঁজতে সম্প্রতি সেনার শীর্ষ আধিকারিকদের জেরা করা হয় বলে সূত্রের খবর। তবে তাতেও কাজ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ‘বিশ্বাসঘাতক’দের চিহ্নিত করতে গত আগস্ট অন্তত ৫০ জন আধিকারিকের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এত বিপুল সংখ্যক উচ্চপদস্থ আধিকারিককে একসঙ্গে পলিগ্রাফ পরীক্ষার মুখোমুখি করা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।
এ প্রসঙ্গে মার্কিন সরকার বিশেষ মুখ খোলেনি। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেন, “অভ্যন্তরীণ বিষয় বা তদন্ত নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তথ্যফাঁস অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমেরিকা এবং বিশ্বজুড়ে মোতায়েন আমাদের সৈন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গোপনীয় তথ্যের সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” প্রসঙ্গত, ইরান যুদ্ধ নিয়ে এমনিতেই মার্কিন প্রশাসনের উপর চাপ রয়েছে। তার মধ্যেই সেনার অন্দর থেকে একের পর এক স্পর্শকাতর তথ্য ফাঁস হওয়ায় অস্বস্তি আরও বাড়ছে। ফলে ‘সরষের মধ্যেকার ভূত’ খুঁজতে এবার নিজ ঘরেই কড়া নজরদারি শুরু করল ওয়াশিংটন।
