shono
Advertisement
Vladimir Putin

যুদ্ধের জেরে জ্বালানি তেলের সংকটে খোদ রাশিয়া! 'পরিস্থিতি গুরুতর', মানলেন পুতিন

রবিবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি লেখেন, ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন দুটি রুশ তেল শোধনাগারকে টার্গেট করেছে। যার জেরে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:01 PM Jun 29, 2026Updated: 08:01 PM Jun 29, 2026

বিশ্বকে জ্বালানি তেল বিক্রি করা রাশিয়া নিজেই ভুগছে জ্বালানি সংকটে! শুনতে অবাক লাগলেও যুদ্ধের জেরে এমনই গুরুতর অবস্থা রাশিয়ার। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করে নিয়েছেন ইউক্রেনের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার জেরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে পেট্রল-ডিজেলের। এই অবস্থায় রপ্তানিতে রাশ টানার পাশাপাশি তেল স্থাপনাগুলির নিরাপত্তা বাড়ানো ও উৎপাদন বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

Advertisement

সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ায় ড্রোন হামলার ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছে ইউক্রেন। টার্গেট করা হচ্ছে রুশ সামরিক ঘাঁটি ও জ্বালানি কেন্দ্রগুলিকে। রবিবার টেলিগ্রামে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি লেখেন, ইউক্রেনের দূরপাল্লার ড্রোন দুটি রুশ তেল শোধনাগারকে টার্গেট করেছে। যার জেরে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, 'আমাদের তরফের প্রতিটি হামলা রাশিয়ার আগ্রাসনকে দুর্বল করা এবং শান্তির পথে আরও একধাপ।' বলার অপেক্ষা রাখে না ইউক্রেনের এই হামলা রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। সেখানকার বহু প্রদেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি চরম আকার নিয়েছে। পেট্রল পাম্প গুলিতে দেখা গিয়েছে দীর্ঘ লাইন। এই অবস্থায় জ্বালানি বিতরণের সীমা বেঁধে দিয়েছে মস্কো।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করে নিয়েছেন ইউক্রেনের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যার জেরে ঘাটতি দেখা দিয়েছে পেট্রল-ডিজেলের।

সোমবার এই জ্বালানি সংকটের কথা স্বীকার করে নিয়ে শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন জানান, ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে রাশিয়া জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে। দেশজুড়ে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে একটি টাস্ক ফোর্স কাজ করছে। পুতিন আরও বলেন, তেল স্থাপনাগুলিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার প্রভাব কমাতে হবে। এটাই জ্বালানি ঘাটতির মূল কারণ। এই জ্বালানি সংকট দেশের গাড়ি চালক ও ব্যবসায়ীদের প্রভাবিত করছে। গ্যাস স্টেশনগুলোতেও লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভালো মানের পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থায় ডিজেল রপ্তানির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে পুতিন আধিকারিকদের জানিয়েছেন, এমন কোনও পদক্ষেপ করা উচিত নয় যা তেল উৎপাদনকারীদের জন্য নতুন সমস্যা তৈরি করতে পারে।

এদিকে রাশিয়ার সরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনকে তোপ দেগে পুতিন বলেন, ইউক্রেনের লক্ষ্য হল দেশের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা এবং রাশিয়ার সামরিক অভিযান থামাতে বাধ্য করা। তবে তিনি এটাও জানান, এই হামলাগুলোর কোনও প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্রে পড়েনি। তিনি আরও জানান, ইউক্রেন উভয় দেশের অভ্যন্তরে হামলা বন্ধ করতে এবং যুদ্ধকে দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে সীমাবদ্ধ রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement