মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝে নতুন করে ইউক্রেনে হামলার ঝাঁজ বাড়িয়েছে রাশিয়া। মস্কোর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে রক্তাক্ত হয়েছে কিয়েভ। এরই মাঝে দেশের সেনা প্রধানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। দেশজুড়ে প্রবল বিক্ষোভের মাঝে বরখাস্ত করা হল সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কিকে। তাঁর জায়গায় নতুন সেনাপ্রধান হলেন মিখাইলো দ্রাপাতিকে।
জানা যাচ্ছে, ইউক্রেনের তরুণ প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাখাইলো ফেদোরভ-কে বরখাস্তের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট চরম আকার নিয়েছিল ইউক্রেনে। জানা যায় ফেদোরভ-কে অপসারণের নেপথ্যে হাত ছিল সিরস্কির। তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনায় জনরোষ ও রাজনৈতিক চাপ প্রবল আকার নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত জেলেনস্কি সেনাপ্রধানকে সরাতে বাধ্য হলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
জনরোষ ও রাজনৈতিক চাপ প্রবল আকার নেওয়ায় শেষ পর্যন্ত জেলেনস্কি সেনাপ্রধানকে সরাতে বাধ্য হলেন বলে মনে করা হচ্ছে।
৬০ বছর বয়সি সিরস্কি ২০২৪ সাল থেকে ইউক্রেনের সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি কিয়েভের অন্যতম অভিজ্ঞ কমান্ডারদের মধ্যে একজন। ২০২২ সালে রুশ আগ্রাসনের আগ্রাসনের মোকাবিলায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনেকখানি। অন্যদিকে সিরস্কির জায়গায় যিনি দায়িত্বে এসেছেন সেই দ্রাপাতিও কম যান না। ৪৩ বছর বয়সী এই সেনাপ্রধান যুদ্ধ-অভিজ্ঞ। পাশাপাশি তাঁকে আধুনিক সামরিক কৌশলের অন্যতম জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি ইউক্রেনের নিরাপত্তা জোরদার এবং সেনাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার করেছেন।।
এদিকে এই রদবদল এমন সময়ে ঘটল যখন ইউক্রেনে হামলার ঝাঁজ আরও বাড়িয়েছে রাশিয়া। বিশেষজ্ঞদের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধের ময়দানে গত কয়েকমাসে মনে করা হচ্ছিল সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে কিয়েভ। রাশিয়ার বেশ কয়েকটি তেল শোধনাগার ধ্বংসের পাশাপাশি দূরপাল্লার হামলাতেও দক্ষতা দেখিয়েছে কিয়েভ। পালটা জবাব দিতেও কোনও খামতি রাখছে না রুশ।
