সুকুমার সরকার, ঢাকা: কাকিমার প্রেমে মজেছেন যুবক। প্রেমের টানে শারীরিক সম্পর্কেও জড়িয়েছেন তাঁরা। কিন্তু বিয়ে করতে রাজি হচ্ছেন না প্রেমিক। তাই বিয়ের দাবিতে ভাসুরপোর বাড়িতে অনশনে বসলেন কাকিমা। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশের উত্তর জনপদ জেলা লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায়। এদিকে কাকিমা অনশনে বসতেই বেপাত্তা ‘প্রেমিক’ যুবক।
কাকিমার নাম রুমা বেগম (৩০)। দুই সন্তানের মা রুমা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পশ্চিম সারডুবী গ্রামের ভাসুরপো জাকিরুল ইসলামের বাড়িতে অনশনে বসায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। মঙ্গলবার সকাল থেকে অনশন করছেন তিনি। বুধবার বিষয়টি জানাজানি হতেই রুমাকে দেখতে ভিড় জমান মানুষজন।
[আরও পড়ুন: কুতুব মিনার তাঁদের পারিবারিক সম্পত্তি, নয়া দাবি দিল্লির রাজার স্বঘোষিত বংশধরের]
পরিবার সূত্রে খবর, রুমার ভাসুরপো জাকিরুল রং মিস্ত্রির কাজ করেন। তাঁরও তিন সন্তান রয়েছে। জাকিরুলের সঙ্গে প্রেমের কথা জানাজানি হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রুমা ও তাঁর স্বামী রশিদুল ইসলামে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের ১২ দিন পর দুই সন্তানের মা রুমা বিয়ের দাবিতে ভাসুরপো জাকিরুল ইসলামের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। এদিকে প্রেমিকা ‘কাকিমা’ অনশন শুরু করতেই এলাকা ছাড়েন জাকিরুল।
রুমা বেগমের অভিযোগ, “গত চারবছর ধরে আমাদের প্রেমের সম্পর্ক। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকবার শারীরিক সম্পর্কও করেছে। বিয়ে করবেন বলে গত মঙ্গলবার আমাকে বাড়িতে আসতে বলেছিল তাই আমি বাড়িতে চলে এসেছি। এখন আমাকে বিয়ে না করলে আমার আত্মহত্যা করা ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না।” এ বিষয়ে রুমার বাবা জানান, “আমার মেয়ের উপরেই সবকিছুই। মেয়ে জানিয়েছেন, ওই ছেলে কোরান নিয়ে শপথ করেছেন তাকে বিয়ে করবে।”
[আরও পড়ুন: নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, এক বছর পর বিয়ে, অভিযুক্তকে মুক্তি দিল কর্ণাটক হাই কোর্ট]
অন্য একটি ঘটনায় পুত্রবধূর শ্লীলতাহানির অভিযোগে শ্বশুর নুরুজ্জামান ইসলামকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। নুরুজ্জামান পেশায় অটোরিকশা চালক। প্রতিদিনের মত মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়িতে ফেরেন। তাঁর স্ত্রী কিছুদিন আগে বিদেশে গিয়েছেন। ছেলে ঢাকায় কাজ করেন। ছেলে বাড়িতে না থাকার সুযোগে শ্বশুর নুরুজ্জামান তাঁর পুত্রবধূর ঘরে প্রবেশ করে শ্লীলতাহানির করে। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এসে ওই মহিলাকে উদ্ধার করে নুরুজ্জামানকে আটক করে। পরে উপজেলা নিবার্হী অফিসারকে বিষয়টি জানানো হয়। ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও বিরামপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ইউএনও) পরিমল সরকার বলেন, “ছেলের বউয়ের শ্লীলতাহানির অভিযোগে নুরুজ্জামানকে আটক করে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। শুনানির পর শ্বশুরের ১ বছরের কারাদণ্ডা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
