shono
Advertisement

Breaking News

Bangladesh

বাংলাদেশেই সম্ভব, বাবা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ বলা জামাত সাংসদের জন্ম ১৯৮১ সালে!

মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত বিল নিয়ে বাংলাদেশের সংসদে আলোচনা চলছিল। সেখানেই বেফাঁস মন্তব্য করেন জামাত নেতা আবদুল মুনতাকিম।
Published By: Kishore GhoshPosted: 02:09 PM Jun 17, 2026Updated: 03:34 PM Jun 17, 2026

বাংলাদেশের জামাত সাংসদ আবদুল মুনতাকিমের জন্ম ১৯৮১ সালে। অথচ তিনি দাবি করে বসলেন, তাঁর বাবা নাকি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল সমালোচনার পাশাপাশি চূড়ান্ত ট্রোলের মুখে পড়েছেন নীলফামারি-৪ আসনের ওই সাংসদ। বিষয়টি এতটাই অস্বস্তিকর যে দল এখনও পর্যন্ত জবাবদিহি করেনি।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত বিল নিয়ে বাংলাদেশের সংসদে আলোচনা চলছিল। যেখানে পাকিস্তানের সেনার সহযোগী হিসেবে জামাতের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক হয়। সেই অধিবেশন নিজের ভাষণে হাফেজ আবদুল মুনতাকিম দাবি করেন, তাঁর বাবা ও দাদা মুক্তিযুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহিদ। আমার আব্বারা সাত ভাই। চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জনের ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা।" আরও বলেন, “আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠকদের একজন। কিন্তু আমি আজ মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই কেউ কেউ অনেক কিছু বলে।”

যদিও এই দাবির পরেই প্রকাশ্যে চলে আসে নির্বাচনের সময় দাখিল করা নেতার হলফনামা। তাতে জানান হয়েছে যে ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন মুনতাকিম। সেই হিসাবে তার বয়স ৪৫ বছরের কিছু বেশি। তার বাবার নাম মহম্মদ আবদুল কাদের সৈয়দী। ফলে সামাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা। প্রশ্ন উঠছে, ১৯৮১ সালে জন্ম নেওয়া সংসদ সদস্যের বাবা যুদ্ধ শহিদ হন কীভাবে! এক নেটিজেন লিখেছেন, "নিজেদের রাজাকার আর যুদ্ধাপরাধের ইতিহাস চাপা দিতে এমন লজ্জাজনক মিথ্যাচার করছে ওঁরা! সংসদের মতো জায়গায় দাড়িয়ে জাতির সামনে এমন মিথ্যাচার করার জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত ওঁর।" একজন বলেন, "জামাত মানেই কি মিথ্যাচার?"

বিষয়টি নিয়ে অবশ্য মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমে সাফাই দিয়েছেন মুনতাকিম। তিনি বলেছেন, “আমার বাবা এখনও আছেন। আমার দাদা (দাদু)  যুদ্ধে শহিদ। তিনি আমার বাবার চাচা। আমি বোঝাতে চেয়েছি যে আমার বাবা-দাদাদের মধ্যে যুদ্ধে শহিদ আছেন। আমি আক্ষরিকভাবে আমার বাবা যুদ্ধে শহিদ তা বোঝাতে চাইনি।” এর পরেও বিতর্ক থামছে না।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement