বাংলাদেশে ভোটের আগে ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা, ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের (Osman Hadi Death) ঘটনায় যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার ধৃত একজনের। রবিবার আদালতে দাঁড়িয়ে ফয়সাল করিম নামে ওই ধৃতের দাবি, তিনি এসব কাজ করেননি, কোনও কিছুর সঙ্গে যুক্তও নন। তবে কি ষড়যন্ত্র করে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে ধৃত ফয়সাল করিম। এদিন বিধাননগর আদালত ধৃত দুই অভিযুক্ত - ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগির হোসেনকে ১৪ দিনের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
ফয়সালকে হাদি হত্যার বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে বলে, ‘‘আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনও কাজে ছিলাম না।’’ তবে কি তাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে? এই প্রশ্ন করা হলে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে ফয়সাল।
গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশে নমাজ পড়ে ফেরার পথে দিনের আলোয় প্রকাশ্য রাস্তায় খুন হন তরুণ নেতা ওসমান হাদি। তাঁকে মাথায় গুলি করে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। কয়েকদিন জীবনযুদ্ধের পর মৃত্যু হয় হাদির। এরপরই কার্যত তাঁর হত্যাকাণ্ড নিয়ে আগুন জ্বলে ওঠে। বাংলাদেশ পুলিশ সাংবাদিক বৈঠকে দাবি করেছিল, হাদির হত্যাকারীরা ভারতে পালিয়েছে। যদিও সেসময় দিল্লি এই দাবি নস্যাৎ করে দেয়। কিন্তু মার্চের গোড়ায় উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত জেলা বনগাঁ থেকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফের হাতে ধরা পড়েন দুই বাংলাদেশি। এটা এসটিএফের বড় সাফল্য। জেরা করে জানা যায়, হাদি হত্যার পর মেঘালয় সীমান্ত পেরিয়ে তারা ভারতে ঢুকেছিল। তারপর নানা জায়গায় ঘুরে বনগাঁয় গা ঢাকা দিয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি, এসটিএফের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
রবিবার দু'জনকে বিধাননগর আদালতে পেশ করার সময় সাংবাদিকরা ফয়সালকে হাদি হত্যা বিষয়ে প্রশ্ন করলে সে বলে, ‘‘আমি এই কাজ করিনি। আমি এ ধরনের কোনও কাজে ছিলাম না।’’ তবে কি তাকে এই ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে? এই প্রশ্ন করা হলে অবশ্য মুখে কুলুপ এঁটেছে ফয়সাল। তার এই দাবি থেকে আরও প্রশ্ন উঠছে, তবে কি এই ঘটনার অভিযুক্তরা আড়াল থেকে এই দু'জনকে কৌশলে গ্রেপ্তার করিয়েছে?
