shono
Advertisement
Bangladesh

ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশের শাসনক্ষমতায় তারেক রহমান, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে শুরু সংসদ অধিবেশন

সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিরোধী দলের নেতা জামাত-ই-ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 03:43 PM Feb 22, 2026Updated: 05:55 PM Feb 22, 2026

বাংলাদেশের (Bangladesh) রাজনৈতিক ইতিহাসে নব অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে গত ১২ ফেব্রুয়ারি। জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। ১৭ বছর পর নির্বাসন থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেছেন প্রয়াত খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। এবার দেশবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় তাঁর কাজ শুরুর পালা। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হতে চলেছে আগামী ১২ মার্চ। তবে দু-একদিন আগেও সংসদের অধিবেশন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। শনিবার রাতে এই তথ্য জানান তিনি।

Advertisement

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুতে প্রথমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে। তিনি জানান, এই অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ এবং শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। তার আগে ভাষণটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। প্রথম অধিবেশনজুড়ে সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনা করবেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ইতিমধ্যে সংসদীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিরোধী দলের নেতা জামাত-ই-ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান। এই প্রথম জামাত শিবিরের প্রতিনিধিদের সংসদে প্রবেশ ঘটছে।

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুতে প্রথমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন হবে। এই অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের অধ্যাদেশ এবং শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি। তার আগে ভাষণটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়। প্রথম অধিবেশনজুড়ে সংসদ সদস্যরা রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপর আলোচনা করবেন।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে নির্বাচন হয়েছে। ফলাফল ঘোষণা হয়েছে ২৯৭টির। এর মধ্যে বিএনপি নিজে ২০৯ টি আসন এবং তাদের জোটের তিন শরিক দল তিনটি আসন-সহ মোট ২১২ আসনে। ফলাফল স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, জামাত-ই-ইসলামি ৬৮টি, তাদের ১১ দলীয় জোটের শরিক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ছ'টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি ও খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামি আন্দোলন একটি এবং স্বতন্ত্র বা নির্দল সাতটি আসনে বিজয়ী হয়েছেন। এই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও বিএনপির বিদ্রোহী।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement