shono
Advertisement
Bangladesh

স্যুটকেসে তরুণীর দেহ! প্রেসক্রিপশনই ধরিয়ে দিল 'খুনি' দম্পতিকে, চাঞ্চল্য বাংলাদেশে

স্যুটকেসের ভিতরে বস্তায় রাখা ছিল দেহটি। কেউ ভাবতে পারেনি সেখানে থাকা প্রেসক্রিপশনই সন্ধান দেবে হত্যাকারীদের।
Published By: Biswadip DeyPosted: 05:06 PM Jun 23, 2026Updated: 05:08 PM Jun 23, 2026

বছর ছয়েক আগের এক তরুণীর দেহ। সেটা মোড়া বস্তায়। আর বস্তাটি রয়েছে স্যুটকেসের ভিতরে। সেই স্যুটকেস ভেসে চলেছে জলে! এমনই এক দৃশ্য দেখতে পেয়েছিল কৌতূহলী জনতা। তখনও ভোর পুরোপুরি হয়নি। কে জানত স্যুটকেসের ভিতরে কী রয়েছে। ঘটনা ২০২০ সালের নভেম্বরে। বাংলাদেশের ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জে গঙ্গাশ্রম এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে তরুণীর দেহ উদ্ধারের পরই। এতদিন পরে ধরা পড়ল খুনিরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, শুরুতে একেবারেই কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ পুলিশ। কেননা স্যুটকেসের ভিতরে এমন কিছুই ছিল না যা থেকে মৃতার পরিচয়টুকু অন্তত মেলে। আসলে ছিল, তাদেরই নজরে আসেনি। পরে দেখা যায়, সেখানে রয়েছে কয়েকটি পুরোনো প্রেসক্রিপশন। প্রথমে পাত্তা না দিলেও পরে বোঝা যায়, এগুলোই 'অমূল্য রতন'! কেননা সেখান থেকেই মেলে একটি ফ্ল্যাটের সন্ধান।

ধীরে ধীরে জানা যায়, নিহত তরুণীর নাম সাবিনা। বয়স ২১ বছর। বাড়ি ময়মনসিংহে। শহরের ফ্ল্যাটে তিনি পরিচারিকা ছিলেন। প্রকাশিত হয়ে পড়ে আরও অনেক কিছুই। তদন্তকারীদের দাবি, ওই বাড়ির মালকিনই সাবিনার উপরে নির্যাতন করেছিলেন তিনি সময়ে ঘুম থেকে উঠতে পারেননি বলে। আর সেই নির্যাতন সইতে না পেরে মারাই যান সাবিনা। এরপর স্বামীর সঙ্গে মতলব কষেই তিনি দেহটি ভাসিয়ে দেন। কিন্তু অবশেষে এতদিন পরে পুলিশ সন্ধান পেল তাঁদের। জানা গিয়েছে, স্যুটকেসটি ডোবাতে তার ভিতরে ইটও রাখা হয়েছিল।

এদিকে সাবিনার পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, ফোন করলেই অভিযুক্তরা বলে দিতেন সাবিনা ভালো আছেন। আগের মতোই কাজ করছেন। কিন্তু দেখা করার কোনও সুযোগ দেওয়া হত না। এমনকী সাবিনার পরিবারকে নিয়মিত টাকাও পাঠানো হত। ফলে সন্দেহ দানাই বাঁধেনি।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement